শিলং ভ্রমণ গাইড বিস্তারিত খরচ ও অন্যান্য তথ্য

Last updated on July 13th, 2018 at 04:47 am

ভারতের মেঘালয়ের শিলং, চেরাপুঞ্জি, ডাউকি ঘুরতে যেতে চাচ্ছেন আপনি, তাইনা? আমি এই মে মাসে ঘুরে এলাম মেঘালয় থেকে। আমি এই ব্লগে আপনাদের আমার ভ্রমন অভিজ্ঞতা থেকে বিস্তারিত জানাতে চেষ্টা করব। এর মাঝে থাকবে সকল তথ্য যেমন, কি কি লাগবে, খরচ কেমন, কিভাবে যেতে হবে, থাকবেন কোথায়, খাবেন কি, শপিং ইত্যাদিসহ আরো আনুষঙ্গিক বিষয়। তাহলে চলুন জেনে নিই বিস্তারিত।

বিদেশে ঘুরতে যাওয়ার শখ আমাদের সবার থাকে, তাইনা? কম খরচে বিদেশ ভ্রমণের জন্য আমাদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী হচ্ছে ভারত ভ্রমণ। সব ট্যুর করার জন্য সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে ইচ্ছে আর সময়। আর আপনি যেহেতু এই গাইডটি পড়ছেন তাহলে আমি ধরে নিচ্ছি আপনার ইচ্ছে আর সময় দুটোই আছে। 🙂 আর খরচ অনেকটা হাতের মুঠোয়ই বলা যায়। মেঘালয় রাজ্য হচ্ছে আমাদের সীমান্তবর্তী রাজ্য তাই এতে যাতায়াত খরচ ভারতের অন্যান্য রাজ্যে যাওয়ার চেয়ে কম।

মাত্র ১০-১২ হাজার টাকায় ভালভাবে ঘুরে আসতে পারবেন মেঘালয়।



মেঘালয় ভ্রমণ গাইডে আমি দুটি ভাগে সব বিষয় আলোচনা করব। একটা হচ্ছে পার্ট-১ (পূর্বপ্রস্তুতি) যা দেশে থেকেই করতে হবে। যেমন পাসপোর্ট, ভিসা, টাকা/ডলার, ভ্রমণসঙ্গী, পোষাক ইত্যাদি। আর একটা হচ্ছে পার্ট-২ (ভ্রমণপর্ব) । এখানে থাকবে যাতায়াত, বর্ডার ইমিগ্রেশন, হোটেল, খাবার, দর্শনীয় স্থান, শপিং, ইন্টারনেট ইত্যাদি। আর সব ভাগেই খরচের আইডিয়া দেয়ার চেষ্টা করব আপনাদের সুবিধার্থে।

পার্ট-১ (পূর্বপ্রস্তুতি)

আপনি মেঘালয় ভ্রমণ করবেন বলে ঠিক করেছেন। এখন আপনাকে মেঘালয়ের জন্য রওনা হওয়ার আগে কিছু কিছু জিনিস নিশ্চিত করতে হবে। চলুন জেনে নিই এই ট্যুরের জন্য কি কি লাগবে। আর এগুলো শুধু মেঘালয় ভ্রমণ নয় মোটামুটি সব দেশে ভ্রমণের জন্যই প্রযোজ্য

  • পাসপোর্ট ও ভিসা
  • ভ্রমণ কর
  • টাকা/ডলার
  • ভ্রমনের উপযুক্ত সময়
  • ভ্রমণসঙ্গী
  • পোষাক
  • অন্যান্য

পাসপোর্ট ও ভিসা

বিদেশ ভ্রমনের জন্য আপনার একটি পাসপোর্ট ও সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসা থাকা আবশ্যক। তাই আপনার যদি পাসপোর্ট না থাকে তাহলে পাসপোর্ট করে নিন। আর ইন্ডিয়ান ভিসা কিভাবে পাবেন তার বিস্তারিত দেখুন আমার এই ব্লগে ভারতীয় ভিসা আবেদনের বিস্তারিত নিয়ম

ভ্রমণ কর/ট্রাভেল ট্যাক্স

বাংলাদেশ থেকে বিদেশ ভ্রমণ করলে সরকারকে ভ্রমণ কর বা ট্রাভেল ট্যাক্স দিতে হয়। যাত্রার পথের উপর নির্ভর করে করের পরিমাণ ভিন্ন হয়। তবে বাই এয়ার ও নৌপথে ভ্রমণ কর টিকেটের সাথেই ইনক্লুড থাকে। আর আমরা যারা স্থলপথে ভ্রমণ করি তাদের জন্য এ করের পরিমাণ ৫০০ টাকা যা আগে থেকেই বা বর্ডারে সোনালি ব্যাংকের বুথে জমা দিতে হয়। আমার মতে বর্ডারে সময় ও ঝামেলা এড়াতে যাত্রা শুরুর আগেই ভ্রমণ কর দিয়ে দেয়া উচিৎ। কারণ এতে আপনাকে বর্ডারে ভ্রমণ কর দেয়ার জন্য লাইনে দাড়াতে হবে না। আর অনেক বর্ডার যেমন ডাউকিতে ভ্রমণ কর নেয়ার কোন সিস্টেম নেই। এখানে আগে কর দিয়ে না গেলে ঝামেলা হয় আর শেষ ব্যবস্থা হিসেবে ১০০-৩০০ টাকা বেশি দিলে ওরা ব্যাবস্থা করে দেয়। আর আপনি যদি প্রায়ই ভ্রমণ করেন তাহলে আপনি কয়েকটি ভ্রমণ কর আগে থেকেই দিয়ে রশিদ নিয়ে রাখতে পারেন। কারণ ভ্রমণ করে কোন তারিখ বা মেয়াদ উল্লেখ থাকে না।

কোথায় ভ্রমণ কর জমা দিব?

ঢাকায় সোনালি ব্যাংকের মতিঝিল শাখা ও নিউ মার্কেট শাখায় ভ্রমণ কর জমা দেয়া যায়। এখানে নিচের ছবির মত ট্রাভেল ট্যাক্সের জন্য স্পেশাল রশিদে ভ্রমণ কর জমা নেয়। অবশ্যই সাথে করে পাসপোর্ট নিয়ে যাবেন। আর অন্য কারোটা আপনি দিলে বা অন্য কাউকে দিয়ে নিজেরটা দিলে অবশ্যই মেইন পাসপোর্ট বা ফটোকপি বা স্ক্যানকপি নিয়ে যাবেন।

ভ্রমণ কর বাংলাদেশ

ভ্রমণ কর

এছাড়া আপনি চালানের মাধ্যমেও কিছু শাখায় ট্রাভেল ট্যাক্স জমা দিতে পারবেন। তবে আগে ব্যাংকে গিয়ে জেনে নিন যে তারা চালানের মাধ্যমে ভ্রমণ কর নেয় কিনা। চালানের মাধ্যমে জমা দিতে হলে আপনার দরকার হবে ভ্রমণ কর কোড।

কোডটি হল ১-১১০৩-০০০০-০৯১১

আর চালানেরর মাধ্যমে দিলে অবশ্যই চালানে আপনার পাসপোর্ট নাম্বার লিখবেন। আর পারলে যে দেশে যাবেন তা লিখবেন। আমি নিচে একটা স্যাম্পল দিয়ে দিচ্ছি।

travel tax code Bangladesh 1.1103.0000.0911 by chalan

ভ্রমণ কর চালান

টাকা/ডলার

টাকা! ঘুরতে গেলে টাকা তো লাগবেই তা তো সবারই জানা। টাকা না লাগলে কতই না ভাল হত তাইনা? সব দেশ ঘুরতে পারতাম। 🙂

আপনার কত খরচ হতে পারে সেই হিসেবে টাকা ডলার এনডোর্স করে নিতে হবে। অথবা ডাউকি থেকে টাকাও রুপি করে নেয়া যায়। আর ডলার নিলে ডাউকি বাজারে খুব কম রেট দেয়। ডলার ভাংগাতে পারবেন শিলং এ স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া অথবা পুলিশ বাজারের মানি এক্সচেঞ্জ থেকে। সবাই একই রকম রেট দেয়।

আর একটা ব্যপার হল, যদি ডোলার নেন তাহলে শিলং ছাড়া ভাল রেটে রুপিতে চেঞ্জ করতে পারবেন না। তাই চাইলে দেশে থেকেও কিছু রুপি নিয়ে যেতে পারেন যাতে করে ডলার ভাঙ্গানোর আগ পর্যন্ত খরচ চালিয়ে নিতে পারেন।

তবে মনে রাখবেন ইন্ডিয়ান রুপি ইন্ডিয়ার বাইরে নেয়া ও বাইরে থেকে নিয়ে ইন্ডিয়ায় ঢুকা অবৈধ।

ভ্রমনের উপযুক্ত সময়

শিলং ও চেরাপুঞ্জির প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এখানে প্রচুর বৃষ্টি হয়। আর একারণেই বর্ষার সিজনই উপযুক্ত সময় মেঘালয়ে বেড়াতে যাওয়ার। তাই মে থেকে অক্টোবরই ভাল সময়। নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি এখানে প্রচুর শীত পড়ে (৫-১৫ ডিগ্রী মাত্র)। এখন আপনি আপনার সুবিধামত সময় বেছে নিন।

ভ্রমণসঙ্গী

ভারতেরর যেকোন জায়গায় বা দেশেও যেখানেই যাননা কেন সব জায়গায় নির্দিষ্ট সংখ্যক ভ্রমণসঙ্গী নির্বাচন করা খুবই জরুরি। আর সংখ্যা নির্বাচন করতে হয় উক্ত জায়গায় প্রাপ্ত গাড়ির উপর নির্ভর করে। মেঘালয়ে সাধারণত ছোট ট্যাক্সি (মারুতি সুজুকি) পাওয়া যায় যাতে ৪ জন বসা যায় আরামে। আর ৬ জন ও ৮-৯ জনের জন্য আছে বড় জিপ গাড়ি (টাটা সুমো)। তাই আপনি খরচ কমাতে এভাবে ভ্রমণসঙ্গী ঠিক করুন।

যদি বন্ধুরা বা পরিচিতদের নিয়ে ট্যুরে যান তাহলে তো ভালই। তবে তা সম্ভব না হলে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ থেকে খুঁজে নিতে পারেন কাংখিত ভ্রমণসঙ্গী। আমি এমন একটা গ্রুপের সাথে গিয়েছিলাম। তবে এভাবে অনলাইন গ্রুপের সাথে গেলে অবশ্যই আগে অফলাইনে সাক্ষাৎ করে নিবেন। আর সবার সাথে আপনার পছন্দের মিল-অমিল দেখে নিন। আর ভ্রমণের পূর্বে সম্ভব হলে সবার পাসপোর্ট ও ভিসার ফটোকপি বা স্ক্যান কপি সবাই শেয়ার করে নিন। আর নিকটজন কাউকে দিয়ে রাখুন।

পোষাক

ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত পোষাক নির্বাচন করা খুবই জরুরি। তবে একটা জিনিস মনে রাখবেন এখানে আপনি বেড়াতে যাচ্ছেন না যে প্রতিদিনের জন্য ভাল ভাল পোষাক নিতে হবে। এখানে আপনি ঘুরতে যাচ্ছেন তাই, ভাল দেখতে পোষাকের চেয়ে আরামদায়ক ও ব্যাগে কম জায়গা লাগবে এমন পোষাক নিন। আর যথাসম্ভব ব্যাগপ্যাক ছোট রাখুন। এখন দেখে নিন কি কি বিষয় খেয়াল রাখবেন।

মেঘালয়ে খুব বৃষ্টি হয়। তাই অবশ্যই রেইনকোট আর ছাতা নিয়ে নিবেন।

স্পোর্টস জুতা নিতে পারেন। ভাল গ্রীপ আছে এমন ট্র্যাভেলিং/ট্রেকিং সু নিন। কারণ বেশিরভাগ ঝর্ণা ও লিভিং রুট ব্রিজগুলো দেখতে আপনাকে পাহাড় বেয়ে নিচে নামতে হবে। এছাড়া এগুলোতে পানি ধরে না এবং দ্রুত শুকিয়ে যায়।ওখানে জুতা বৃষ্টিতে ও ঝর্ণার পানিতে ভিজবে। ওরা নিজেরা সবসময় জুতা পরে।

হালকা শীতের কাপড় নিবেন। রাতে অনেক শীত পরে। আপনি যখন যাবেন তখনকার তাপমাত্রা গুগল করে জেনে নিন ও সেইমত শীতের কাপড় নিন। মাফলার নিতে পারেন কারণ শরীরে শীত না লাগলেও অনেক সময় ওখাঙ্কার বাতাস খুব ঠান্ডা হওয়ার গলায় ও কানে শীত লাগবে।

আপনাকে দুই/তিনদিন ভিজতে হতে পারে। মানে উমগট নদী, ক্রাংসুরি ফল ও ডাবল ডেকার রুট ব্রিজে গোসল করতে পারবেন। তাই সেইমত গোসলের পোষাক নিন। এমন পোষাক নিন যেগুলো দ্রুত শুকায়।

প্যান্ট ও হাফ/থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট গুলো যদি প্যারাসুট কাপড়ের নিতে পারেন তাহলে সবচেয়ে ভাল হয়। কারণ এগুলো দ্রুত শুকায় ও ব্যাগে কম জায়গা লাগে।

অন্যান্য

এছাড়া আরো কিছু বিষয় খেয়াল রাখা উচিৎ।

  • পাসপোর্ট এর ডাটা পেইজ ও ভিসার কয়েকটা ফটোকপি দেশ থেকেই নিয়ে যান। হোটেল বুকিং বা সিম কেনায় কাজে লাগবে
  • চাইলে কয়েক কপি ছবিও নিতে পারেন। যদিও কোথাও লাগবে না।
  • মোবাইলে সম্পুর্ন মেঘালয়ের ম্যাপ অফলাইনে ডাউনলোড করে নিন। এতে আপনি ইন্টারনেট ছাড়াই শুধুমাত্র জিপিএস ব্যাবহার করে করে জায়গাগুলোতে চলাচল করতে পারবেন। ………
  • প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ নিতে পারেন। যেমন প্যারাসিটামল,মেট্রোনিডাজল, এসিডিটির যেকোন ওষুধ।
  • ত্বক সচেতন হলে ক্যাপ, হ্যাট বা সানস্ক্রিন।
  • খাবারের স্বাদ আপনার পছন্দ নাও হতে পারে, তাই সেরকম মানুষিক প্রস্ততি নিয়ে রাখুন।

পার্ট-২ (ভ্রমণপর্ব)

আপনি পার্ট-১ বা পুর্বপ্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন। চলুন দেখে নেই মেঘালয়/শিলং ভ্রমণ গাইডের ২য় পর্ব বা ভ্রমণপর্ব।

দর্শনীয় স্থানসমুহ

প্রথমেই জেনে নেই মেঘালয়/শিলং এর দর্শনীয় স্থানগুলো। এখানে জায়গাগুলো এক এক দিনের প্যাকেজ হিসেবে দেয়া হল। আপনি আপানার মত সাজিয়ে নিতে পারেন আপনার প্ল্যান।

দিন ১

নোহওয়েট লিভিং রুট ব্রিজ
মাউলিলং ভিলেজ
বোরহিল ঝর্ণা
উমক্রেম ঝর্ণা
স্নোনেংপেডেং ভিলেজ
উমগট রিভার

দিন ২
ক্রাংসুরি ঝর্ণা
চেরাপুঞ্জি গমণ

দিন ৩ (চেরাপুঞ্জি)

ডাবল ডেকার রুট ব্রিজ
মৌসিমাই কেভ
সেভেন সিস্টার্স ঝর্ণা

ইকো পার্ক

নুকায়কালী ফলস

 

দিন ৪ (শিলং শহর)

শিলং পিক

লেডি হায়াদ্রি পার্ক
ডন বস্কো মিউজিয়াম
উমিয়াম লেক

ক্যাথিড্রাল চার্চ

গলফ কোর্স

ওয়ার্ডস লেক

 

৫ম দিন

এদিন আসার সময় এলিফেন্ট ফলস দেখে আসুন। তা না চাইলে আগের দিনই এটা দেখে নিন। কিন্তু ডাউকি বর্ডারে ফিরে আসার পথে  এইটা পড়ে।

 

যাতায়াত

খানে যাতায়াত নিয়ে আলোচনা করব।

ঢাকা-সিলেট
প্রথমে ঢাকা থেকে যেকোন এসি/নন-এসি বাসে চলে যান সিলেট। নন-এসি বাসের ভাড়া ৪৭০ টাকা। বাসগুলো রাত ১০ টা থেকে ১২ টার মাঝে ছেড়ে যায় ও সকাল ৫:০০ থেকে ৬ টায় পৌছে যায়। আমাদের বাস রাত ১১:০০ টায় ফকিরাপুল থেকে ছেড়ে পৌছেছিল সকাল ৫:০৫ এ।

সিলেট-তামাবিল বর্ডার
সিলেট বাসস্ট্যান্ড থেকে জাফলং এর বাস যায়। আপনারা কদমতলি থেকে জাফলংগামী বাসে উঠে পড়ুন। সময় লাগবে দু ঘন্টার মত। ভাড়া ৬০ টাকা।

ডাউকি বর্ডার
এখান থেকে কেউ শিলং যেতে চাইলে লোকাল শেয়ারড ট্যাক্সি আছে। তবে আমরা সব জায়গায় রিজার্ভ ট্যাক্সিতে গিয়েছি বিধায় সেভাবেই বলছি সব।

যাওয়া

আসা

বর্ডার ইমিগ্রেশন

যাওয়া

আসা

হোটেল

খাবার

শপিং

পোস্ট শেষ হয়নি। আপডেট করা হচ্ছে…

লেখক সম্পর্কে

Freelance Internet Researcher & Lead Generation Specialist at

ভালো লাগে নিত্য-নতুন বিষয় সম্পর্কে জানতে। লিখতে অনেক ইচ্ছে হয় কিন্তু সময় বের করে লিখতে পারি না। আর কিছু লিখতে পারলে অনেক ভালো লাগে। ২০১৩ সাল থেকে ফ্রিল্যান্স ইন্টারনেট রিসার্চার ও সেলস এসোসিয়েট হিসেবে কাজ করছি আপওয়ার্কে। বর্তমানে বি.এসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং-এ মন নেই, পড়তে হচ্ছে বলে পড়ছি। ক্যারিয়ারে নিজের মত করে কিছু করতে মন চায়। ভ্রমনের প্রতি আকর্ষন তীব্র আমার।

Facebook Comments

Saiful Islam Sohel

ভালো লাগে নিত্য-নতুন বিষয় সম্পর্কে জানতে। লিখতে অনেক ইচ্ছে হয় কিন্তু সময় বের করে লিখতে পারি না। আর কিছু লিখতে পারলে অনেক ভালো লাগে। ২০১৩ সাল থেকে ফ্রিল্যান্স ইন্টারনেট রিসার্চার ও সেলস এসোসিয়েট হিসেবে কাজ করছি আপওয়ার্কে। বর্তমানে বি.এসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং-এ মন নেই, পড়তে হচ্ছে বলে পড়ছি। ক্যারিয়ারে নিজের মত করে কিছু করতে মন চায়। ভ্রমনের প্রতি আকর্ষন তীব্র আমার।

One thought to “শিলং ভ্রমণ গাইড বিস্তারিত খরচ ও অন্যান্য তথ্য”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.