পাসপোর্ট করার নিয়ম

Last updated on October 22nd, 2019 at 03:30 pm

কিছুদিন আগে আমার শারীরিক কিছু অসুস্থতার কারণে ভেবেছিলাম ইন্ডিয়া গিয়ে একটু চেকাপ করে আসবো, সে ভাবনা থেকেই পাসপোর্ট বানানোর প্রয়োজনিয়তা অনুভব করলাম। অনেকের সাথে কথা বলে জানলাম কিভাবে পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করবো। তবে সবাই যে কথাটা বলেছে সেটা হলো তারা কোন না কোন ভাবে হয়রানির স্বিকার হয়েছে কিংবা বাড়তি টাকা দিয়ে করাতে হয়েছে। যাই হোক আমার হাতে সময় ছিলো, তাই ভাবলাম কোন প্রকার তাড়া যেহেতু নেই নিজে নিজে ট্রাই করে দেখি। এই ভাবনা থেকেই নিজেই সব কিছু যেটে পাসপোর্টের জন্য রেগুলার ডেলিভারিতে আবেদন করলাম।

এর পরে কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই ৪৫-৫০ দিনের মধ্য পাসপোর্ট হাতে পাই আমি। অনেকেই জানতে চেয়েছেন কিভাবে নিজে নিজে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করে পাসপোর্ট পাওয়া যায়, তার প্রেক্ষিতেই আজকে এই নোট টি লিখছি। যদি কারো উপকারে আসে।

আমাদের সবার মধ্যে এমন একটা ধারণা তৈরী হয়েছে যে দালাল ছাড়া বা টাকা খাওয়ানো ছাড়া পাসপোর্ট করা যায় না। করতে গেলে হয়রানির স্বিকার হতে হয়। আমার ও পাসপোর্ট করতে দেয়ার আগে একই ধারণা ছিলো। একথা সত্যি যে এক সময় পাসপোর্ট বানাতে গেলে দালাল ছাড়া অনেক হয়রানির স্বিকার হতে হতো, তবে বর্তমানে এটা অনেকাংশে কমে গেছে। এবং আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি বর্তমানে পাসপোর্ট বানানোর প্রক্রিয়াটা অনেক সহজ। সরকার যেখানে পাসপোর্ট বানানোর প্রক্রিয়াকে সহজ করে দিয়েছে সেখানে কেন শুধু শুধু বাড়তি টাকা খরচ করে দালাল দিয়ে পাসপোর্ট করবেন?

তবে একটা ব্যাপার অবশ্যই বলবো যে নিজে নিজে পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে আপনার হাতে সময় অবশ্যই থাকতে হবে। আপনার যদি এমন হয় যে ৩ দিনে বা ৭ দিনে পাসপোর্ট দরকার সে ক্ষেত্রে আসলে নিজে না করাই ভালো। কারণ আপনি এত কম সময়ে পাসপোর্ট হাতে পাবেন না। আর একটা গুরুত্ব পূর্ণ বিষয় হলো আপনার সকল ডকুমেন্ট ভ্যালিড হতে হবে। এমন যাতে না হয় যে আপনার ইনফরমেশনে কোন ভূল আছে বা নামের বানান একেক জায়গায় একেক রকম আছে। তাহলে আপনাকে হয়রানির স্বিকার হতে হবে। যদি কোন ভূল থেকে থাকে তাহলে আপনার উচিত হবে আগেই তা সংশোধন করে নেয়া।

লেখাটি অনেক বড় বিধায় প্রয়োজনীয় অংশে দ্রুত নেভিগেট করতে এই  ‘Quick Navigation’ মেনুটি ব্যবহার করতে পারেন। ‘Quick Navigation’ এর পাশের [show] তে ক্লিক করলেই সম্পুর্ন মেনু দেখতে পারবেন।


পাসপোর্ট করার খরচ ও আবেদনের ধরন

পাসপোর্ট আবেদন সাধারণত দুই ধরনের হয়। সাধারণ ও জরুরী। এই আবেদনের ধরনের উপর নির্ভর করে খরচ।

১. সাধারণ

সাধারণ পাসপোর্ট এর ক্ষেত্রে ফি দিতে হয় ৩,৪৫০ টাকা এবং ২১ কর্ম দিবসের মধ্য পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার ডেইট দিয়ে থাকে। যদিও আপনি নিজে করলে ২১ দিনে পাওয়ার সম্ভাবণা খুবই কম। সাধারণত ৪০-৫০ দিনের মত লাগে। অনেকে এর আগেও পায় যদি ভাগ্য ভালো থাকে।

২. জরুরী

জরুরী পাসপোর্টের ক্ষেত্রে ফি দিতে হয় ৬,৯০০ টাকা এবং ৭ কর্ম দিবসের মধ্য পাওয়ার ডেইট দিয়ে থাকে। যদিও নিজে করলে ১৫-২০ দিনের মত লাগে হাতে পেতে।

পাসপোর্ট করার নিয়মাবলী বা ধাপসমুহ

  • পাসপোর্ট ফি জমা দেয়া
  • প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি সংগ্রহ
  • পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণ
  • পাসপোর্ট ফরম এবং সংযুক্তি সত্যায়িত করা
  • আবেদন ফরম পাসপোর্ট অফিসে জমা দেয়া
  • পুলিশ ভেরিফিকেশন
  • পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করা
  • পাসপোর্ট সংগ্রহ করা

এখন এখানে আমি প্রতিটি ধাপের বিস্তারিত লিখছি।

১. পাসপোর্ট ফি জমা দেয়া

এই অংশে বলব পাসপোর্টের টাকা জমা দেওয়ার নিয়ম। পাসপোর্ট ফি আপনি অনলাইন ও অফলাইন দুইভাবেই দিতে পারেন। নিচে আমি দুইটা দিকই বলছি।

অফলাইনে পাসপোর্ট ফি জমা দান

অফলাইনের জন্য আপনাকে পাসপোর্ট অফিস কতৃক নির্ধারিত একটি ব্যাংকে চলে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে আপনি যদি সাধারণ পাসপোর্ট করে তাহলে ৩,৪৫০ টাকা এবং জরুরী হলে ৬,৯০০ টাকা জমা দিতে হবে। হাতে সময় থাকলে আমি বলবো জরুরী না করাই ভালো, কারণ জরুরী পাসপোর্ট ৭ কর্ম দিবসে দেয়ার কথা থাকলেও ইদানিং তা দিতে ১০ দিনের মত লাগে। যাই হোক, যে ব্যাংক গুলোতে আপনি টাকা জমা দিতে পারবেন সেগুলোর নাম নিচে দেয়া হলো

  • সোনালি ব্যাংক
  • ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড
  • ওয়ান ব্যাংক
  • ব্যাংক এশিয়া
  • প্রিমিয়ার ব্যাংক
  • ঢাকা ব্যাংক

উপরোক্ত ব্যাংক গুলোর যে কোন শাখায় আপনি টাকা জমা দিতে পারবেন, শুধু মাত্র সোনালি ব্যাংকের নির্দিষ্ট কিছু শাখা ছাড়া। ব্যাংকে গিয়ে বললেই হবে যে আপনি পাসপোর্ট এর জন্য টাকা জমা দিবেন, তারা আপনাকে একটি স্লিপ দিবে যেটা পূরণ করে টাকা সহ জমা দিতে হবে। আর এই স্লিপে আপনার নাম ঠিক সেভাবে লিখবেন যেভাবে পাসপোর্টে নাম হবে, একটু ভিন্ন হলেও পেমেন্ট ভেরিফিকেশনে ঝামেলা হবে।

সাথে করে অবশ্যই আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড, বা বার্থ সার্টিফিকেটের ফটোকপি নিয়ে যাবেন। টাকা জমা হয়ে গেলে তারা আপনাকে একটি রশিদ দিবে। রশিদটির দুইটি পার্ট থাকবে, একটা কাস্টমার কপি আরেকটা পাসপোর্ট অফিসের কপি। কাস্টমার কপি আপনার কাছে রাখবেন আর পাসপোর্ট অফিসের কপি পাসপোর্ট আবেদন ফর্ম জমা দেয়ার সময় ফর্মের উপর আঠা দিয়ে লাগিয়ে দিতে হবে। আপনার টাকা জমা দেয়ার ৬ মাসের মধ্য আপনাকে অবশ্যই পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করতে হবে। ৬ মাস পরে এর মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে, সেক্ষত্রে আপনাকে আবার নতুন করে টাকা জমা দিতে হতে পারে।

নিচে আমি রিসিটের একটা নমুনা আপনাদের দিলাম, এটা কাস্টমার কপি। পাসপোর্ট অফিসের কপিটা আমি জমা দিয়ে দিয়েছি তাই ছবি দিতে পারছি না। রিসিটের ট্রান্সেকশন নাম্বারটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়ান ব্যাংকে জমা দেয়া পাসপোর্ট ফির রশিদ

অনলাইনে পাসপোর্ট ফি জমা দান

অনলাইনে আবার দুটো পদ্ধতি আছে। একটা হল সরাসরি www.passport.gov.bd সাইটে ফরম পুরনের শেষের দিকে তখনই বিভিন্ন ব্যাংকের গেটওয়ে ব্যবহার করে ফি পরিশোধ করা যায়। এখানে কয়েকটি ব্যাংকের মাধ্যমে ফি দেয়া যায়। তবে প্রায় সবাই একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি রেখে দেয় তাদের চার্জ হিসেবে। এখানে বিভিন্ন ব্যাংকের কার্ড ও বিকাশ, রকেট দিয়ে পে করতে পারবেন। তবে আপনি খুব টেকনিক্যাল না হলে এটাতে চেষ্টা না করাই উত্তম।

আরেকটি পদ্ধতি হল http://echallan.gov.bd এর মাধ্যমে। এখানে ওরা সোনালী ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের গেটওয়ে ব্যাবহার করে। এখানে সোনালী ব্যাংকের কার্ড, ভিসা, মাস্টারকার্ড, কিউক্যাশ, ডিবিবিএল নেক্সাস কার্ড, রকেটবিকাশ ব্যবহার করে ফি দিতে পারবেন।

আমি গত ১৮ আগস্টে আমার এক ভাইয়ের ফি ইচালানের মাধ্যমে বিকাশ দিয়ে জমা দিলাম। খুব সহজ। আর অতিরিক্ত ফি ছিল মাত্র ৩ টাকা। মোট ৩৪৫৩ টাকা পে করতে হইছে। এখানে পে করলে নিচের ছবির মত চালান পাওয়া যায় যেটা প্রিন্ট করে ব্যবহার করতে হয়। এক পেইজে দুইটা চালান প্রিন্ট হবে। উপরেরটা জমা দিবেন আর নিচেরটা নিজের কাছে রেফারেন্স হিসেবে রাখতে পারেন। আর নিচে দেখানো নম্বরটি রশিদ নম্বর হিসেবে পাসপোর্ট ফর্মে ব্যবহার করবেন।

ইচালানের মাধ্যমে দেয়া পাসপোর্ট ফির চালান
ইচালানের মাধ্যমে দেয়া পাসপোর্ট দিলে ২৫ নম্বর ঘর এভাবে পূরণ করুন

২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি সংগ্রহ

পাসপোর্ট করার জন্য আবেদনের স্বপক্ষে আপনাকে কিছু দলিল বা কাগজপত্র জমা দিতে হবে। চলুন দেখে নিই পাসপোর্ট করার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো কি কি।

  • পুরনকৃত পাসপোর্ট ফরম (২ কপি)
  • সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি ছবি
  • ন্যাশনাল আইডি/স্মার্ট কার্ড অথবা জন্ম নিবন্ধন এর সত্যায়িত ফটোকপি
  • ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, গাড়িচালক ও অন্যান্য পেশার লোকদের ক্ষেত্রে পেশাগত সনদের
    সত্যায়িত ফটোকপি
  • সরকারী চাকুরীজীবীদের জন্য NOC বা Government Order-সরকারি আদেশ (GO/জিও) দিতে হবে
  • নাগরিক সনদপত্র (আসল বা সত্যায়িত ফটোকপি). (যদিও অফিশিয়ালি এটা দেয়ার কথা কোথাও লিখা নাই তবে পাসপোর্ট অফিসে এটা চায়। )

আবেদন পত্র জমা দেয়ার সময় সকল কাগজের মূল কপি সাথে রাখ ভাল। অনেকসময় আবেদন গ্রহনের সময় এটা দেখতে চায়।

এটা হল অফিসিয়াল নির্দেশনা

৩. পাসপোর্ট ফরম পূরণ

ব্যাংকে পাসপোর্ট বানানোর ফি জমা দিয়ে দেয়ার পরে আপনাকে আবেদন ফর্ম পূরন করতে হবে। আবেদন ফর্ম আপনি দুই ভাবে পূরণ করতে পারেন। অনলাইনে করতে পারবেন অথবা চাইলে হাতেও করতে পারবেন। অনলাইনে করাটাই আমি বেটার মনে করি, কারণ অনলাইনে করলে আপনার পাসপোর্টে কোন বানান ভূলের সম্ভাবনা থাকবে না, যেহেতু আপনি নিজেই টাইপ করবেন। আর আপনি চাইলে হাতে লিখেও করতে পারেন। আমার অনলাইনের ফর্মে একটু ভুল থাকায় আমি পড়ে হাতে লিখে জমা দেই কিন্তু অপারেটর আমার নামের বানান ভুল করেছিল। বিধায় আমার ১০-১৫ দিন দেরি হয়েছিল।

অফলাইনে পাসপোর্ট ফরম পুরন

অফলাইনে পাসপোর্ট ফরম পুরন করতে আপনি পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে চাইলে ওরা আপনাকে ফরম দিবে। এছাড়া আপনি চাইলে নিজেও ফরম প্রিন্ট করতে পারেন। পাসপোর্ট ফরম ডাউনলোড করুন এখান থেকেমনে রাখবেন প্রিন্ট যেন কাগজের উভয় পিঠে হয়। মানে এক সেটে পেইজ থাকবে দুইটা এবং পৃষ্টা নাম্বার হবে ৪ এপিঠ ওপিঠে প্রিন্ট করে/মানে হাতে লেখার ফরমটা যেভাবে প্রিন্ট করা ঠিক সেরম হবে এইটা।

অনলাইনে পাসপোর্ট ফরম পুরন

অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করতে চাইলে আপনাকে এই লিঙ্কে যেতে হবে http://www.passport.gov.bd/default.aspx এখানে গিয়ে সব কিছু ঠিক মত পরে নিবেন। তারপর নিচে দেখবেন ছোট করে লিখা আছে I have read the above information and the relevant guidance notes. এটাতে চেক মার্ক করে Continue to online enrollment বাটনে ক্লিক করলেই আপনাকে ফর্ম পূরনের পেইজে নিয়ে যাবে। এই ধাপে আপনাকে আপনার ব্যাক্তিগত সব তথ্য দিতে হবে। ভালো করে চেক করে দিবেন যাতে এখানে কোন ভূল না হয় বা কোন ফেইক ইনফরমেশন না থাকে। বুঝতে অসুবিধা হলে নিচের ভিডিও গুলো দেখতে পারেন।

সব শেষ ধাপে আপনাকে আপনার পেমেন্ট ইনফরমেশন দিতে বলবে। সেখানে গিয়ে অফলাইন সিলেক্ট করে আপনি যে ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছেন সেটা সিলেক্ট করুন এবং ব্রাঞ্চ সিলেক্ট করুন। আপনার ব্রাঞ্চ লিস্টে খুজে না পেলে সেন্ট্রাল ব্রাঞ্চ ব্যাবহার করুন। সব শেষে আপনার জমা রিসিটের নাম্বারটি দিন। আর যারা অনলাইনেই ফি দিবেন তারা অন্য ব্যংকগুলার একটা সিলেক্ট করে ফি জমা দিতে পারেন ঘরে বসেই। ব্যাস আপনার ফর্ম ফিলাপ শেষ। এবার ফর্মটি ডাউনলোড করে দোকানে গিয়ে দুই সেট প্রিন্ট করে নিয়ে আসুন। মনে রাখবেন প্রিন্ট যেন কাগজের উভয় পিঠে হয়। মানে এক সেটে পেইজ থাকবে দুইটা এবং পৃষ্টা নাম্বার হবে ৪ এপিঠ ওপিঠে প্রিন্ট করে। মানে হাতে লেখার ফরমটা যেভাবে প্রিন্ট করা ঠিক সেরম হবে এইটা। এক সেট পাসপোর্ট অফিস রাখবে আরেক সেট SB OFFICE এর পাঠানো হবে পুলিশ ভ্যারিফিকেশনের জন্য।

এবার প্রিন্ট হয়ে গেলে ফর্মের ছবি লাগানোর জায়গায় আঠা দিয়ে পাসপোর্ট সাইজের সদ্য তোলা ছবি লাগিয়ে দিন। ২ সেটের জন্য ২ কপি ছবি। আর যে কোন একটা কপিতে আপনাকে ব্যাংকে থেকে যে রশিদটি দিয়েছিলো সেটার পাসপোর্ট অফিস কপি পার্টটা কেটে আঠা দিয়ে হাতের ডান পাশে উপরের দিকে লাগিয়ে দিন। ভূলেও ছবি এবং রিসিট পিন দিয়ে লাগাবেন না, অবশ্যই অবশ্যই আঠা দিয়ে লাগাবেন।

৪. পাসপোর্ট ফরম এবং সংযুক্তি সত্যায়িত করা

আপনি যদি সঠিক ভাবে ফর্ম রেডী করে রাখেন তাহলে এবার সেগুলো সত্যায়িত করে নিতে হবে। আবেদন ফর্ম দুই সেটের সাথে আপনার জন্ম নিবন্ধন/ন্যাশনাল আইডি কার্ড, নাগরিক সনদের ফটোকপি পিন দিয়ে লাগিয়ে নিন। এবার পাসপোর্ট অফিস থেকে অনুমোদিত যে কারো কাছে ফর্মের সেট দুটি নিয়ে সত্যায়িত করে নিন।

যে সকল ব্যক্তিগণ পাসপোর্টের আবেদনপত্র ও ছবি প্রত্যায়ন ও সত্যায়ন করতে পারবেন – সংসদ সদস্য, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, ডেপুটি মেয়র ও কাউন্সিলরগণ, গেজেটেড কর্মকর্তা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও পৌর কাউন্সিলরগণ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক, নোটারী পাবলিক ও আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাতীয় বেতন স্কেলের ৭ম ও তদুর্ধ্ব গ্রেডের গ্রেডের কর্মকর্তাগণ।

আমি আমার এলাকার কমিশনার অফিসে গিয়ে কমিশনারকে দিয়ে সত্যায়িত করে নিয়েছিলাম। ওখানে গিয়ে বললেই হবে যে আপনি পাসপোর্ট এর আবেদন ফর্ম সত্যায়িত করবেন। তারাই সব করে দিবে।

৫. আবেদন ফরম পাসপোর্ট অফিসে জমা দেয়া

আপনার পাসপোর্টের আবেদন ফর্ম সত্যায়িত হয়ে গেলে আপনি আবেদন ফর্ম জমা দেয়ার জন্য রেডি। অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করলে ফর্মেই লিখা থাকবে ফর্ম কোন অফিসে জমা দিতে হবে। তবে যদি হাতে পূরন করেন তাহলে আপনার ঠিকানা সিটি কর্পোরেশন এর ভেতর হলে রিজিওনাল অফিস, আর সিটি কর্পোরেশনের বাইরে হলে আঞ্চলিক অফিসে জমা দিতে পারবেন। সব কিছু রেডী করে সকাল সকাল পাসপোর্ট অফিসে ফর্ম গুলোর দুই সেট নিয়ে চলে যান। সাথে অবশ্যই সব কিছুর অরিজিনাল কপিও রাখবেন, যদি দেখতে চায় তো দেখিয়ে দিবে। সাধারণত সকাল ৯ – ১০ টা থেকে পাসপোর্ট আবেদন জমা নেয়া শুরু হয়ে যায় এবং দুপুর ১ টা পর্যন্ত জমা নেয়। আর অনেক লাইন থাকে তাই তাড়াতাড়ি গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

কিছু আঞ্চলিক অফিস যেদিন ফরম জমা দিবেন সেদিনই ছবি তোলা ও বায়োমেট্রিক করতে চায় না। তারা ফরম জমা রেখে সপ্তাহের কোন একটা নির্দিষ্ট দিনে আসতে বলে। আমি ফরিদপুর থেকে করেছিলাম আমার ক্ষেত্রে এমন হয়েছে। যদিও নিয়ম ফরম জমা দেয়ার দিনই সব প্রসেস শেষ করার। যাইহোক আপনার জন্য আবার আসা ঝামেলা মনে হলে অফিসের সহকারী পরিচালক বা ঊর্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলুন। তারা অনেক হেল্পফুল। আপনি আপনার কেন্দ্রের কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করতে এই লিস্টে থাকা ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করুন। আমার সমস্যা হলে আমি কল দিয়েছি ও পড়ে পরিচালক আমাকে দেখা করতে বলেছিল ও তার সাথে আমি কথা বলেছিলাম। তারা যথেষ্ট আন্তরিক।

আপনার সিরিয়াল আসলে ফর্ম গুলো জমা দিন এবং তারা আপনার ফর্ম গুলো চেক করে দেখবে। যদি ফর্মে কোন ভূল থাকে দেখিয়ে দেবে যে কোথায় ভূল হয়েছে। ভূল হলে সেটা কারেশন করে দিন। আপনাকে কিছু প্রশ্ন করতে পারে, কোন প্রশ্ন করলে সেগুলোর জবাব কনফিডেন্ট এর সাথে দিন। যদি দেখেন সব কিছু ঠিক থাকার পরেও আপনাকে হয়রানি করছে বা কোন ভ্যালিড কারণ ছাড়া আপনার ফর্ম জমা নিচ্ছে না তাহলে তা উর্ধতন কর্মকর্তাকে জানান।

সব কিছু ঠিক থাকলে তারা আপনার আবেদন জমা নিবে এবং কোন রুমে যেতে হবে সেটা বলে দিবে। রুম নাম্বার অনুযারি পাঠানো রুমে গিয়ে আপনার আঙ্গুলের ছাপ দিন, ছবি তুলুন, এবং সিগনেচার দিয়ে একটা রশীদ দিবে সেটা নিয়ে ভালো করে দেখুন কোন ইনফরমেশনে ভূল আছে কি না। এই রশীদে যে ইনফরমেশন দেখাবে তা আপনার পাসপোর্টে হুবুহু সেইম ই প্রিন্ট হবে। তাই কিছু ভূল দেখতে পেলে সাথে সাথে দ্বায়ীত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানান। নাহলে পাসপোর্ট প্রিন্ট হয়ে গেলে আর সংশোধন করতে পারবেন না। আপনাকে ভূল শুধরানোর জন্য আবার আরেকটি পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হবে। এর মানে আরো সময় ও টাকা গুনতে হবে। এছাড়া এখন মৌলিক তথ্যগুলো সংশোধন করা যায় না। এই রশীদটি যত্ন করে রাখুন কারণ পাসপোর্ট রেডী হলে আনার সময় এই রশীদ জমা দিতে হবে।

৬. পুলিশ ভেরিফিকেশন

আবেদন পত্র জমা দেয়ার কিছুদিনের মধ্যেই আপনাকে পুলিশ ভ্যারিফিকেশনের জন্য ডাকা হবে। পুলিশ আপনার বাড়িতে আসতে পারে অথবা আপনাকে তাদের অফিসেও যেতে বলতে পারে। আপনাকে কিছু ডকুমেন্ট রেডি রাখতে বলবে যেমন, জায়গার কাগজ, ইউটিলিটি বিলের কপি ইত্যাদি। ব্যাক্তিভেদে একেক জনের কাছে একেকটা চায়। আপনার পাসপোর্ট আবেদন ফর্মে যদি স্থায়ী ঠিকানা এবং বর্তমান ঠিকানা যদি ভিন্ন হয় তাহলে দুই যায়গাতেই ভেরিফিকেশন হবে। আর একই ঠিকানা হলে এক জায়গাতেই হবে।

এই পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনেই আসলে অনেকের অভিযোগ থাকে ঘুষ চাওয়ার ব্যাপারে। আপনি যদি এমন পরিস্থিতির স্বিকার হোন তাহলে টাকা দিতে রাজি হবে না। আপনার সকল ডকুমেন্ট যদি ভ্যালিড থাকে তাহলে অফিসার আপনার কিছুই করতে পারবে না। তাকে একটা নির্দিষ্ট সময় পরে এমনিই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আপনার সব ভ্যালিড থাকলে নেগিটিভ রিপোর্ট দিতে পারবে না। শুধু আপনার পাসপোর্ট এর রিপোর্ট জমা দিতে একটু দেরী করতে পারবে এই যা। তার পরেও অন্যায় ভাবে কোন টাকা চাইলে ফোনে কথা বলার সময় তা রেকর্ডিং করে রাখুন। প্রয়োজনে SB Office এ গিয়ে উর্ধতন কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করুন এবং প্রমান হিসেবে রেকর্ডিং শোনান। আর না হলে আপনার ৫০০-১৫০০ টাকা দিতে হবে। তবে আদর্শ রেট হচ্ছে ১০০০ টাকা 😀 😀

আসলে বেশীর ভাগ মানুষ টাকা চাওয়ার আগেই দেয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে থাকে। যার দরুন কিছু অসাধু অফিসার আরো সুযোগ পেয়ে যায়। কিন্তু একটু সচেতন হলেই এই অলিখিত এবং অনৈতিক নিয়ম পরিবর্তন করা যায়।

পুলিশ ভ্যারিফিকেশন হয়ে গেলে আপনার সব কাজ শেষ।

৭. পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করা

এবার পাসপোর্ট পাওয়ার ম্যাসেজের জন্য অপেক্ষা করুন। আর অনলাইনে মাঝে মাঝে ঢুকে আপনার পাসপোর্ট এখন কোন অবস্থায় আছে দেখুন। এই লিঙ্কে গিয়ে http://www.passport.gov.bd/OnlineStatus.aspx আপনার এনরোলমেন্ট আইডি ( পাসপোর্ট এর ছবি তোলার পরে আপনাকে যে রশীদ দেবে সেখানে লেখা থাকবে ) এবং জন্ম তারিখ দিন। তাহলেই আপনার পাসপোর্ট এর স্ট্যাটাস দেখতে পারবেন। এছাড়া এসএমএস করেও স্ট্যাটাস চেক করতে পারেন।

এসএমএস বা অনলাইনে চেক করার সময় স্ট্যাটাস ম্যাসেজ গুলোর অর্থ (১)

এসএমএস বা অনলাইনে চেক করার সময় স্ট্যাটাস ম্যাসেজ গুলোর অর্থ (২)

৮. পাসপোর্ট সংগ্রহ করা

সব কিছু ঠিক ঠাক মত হয়ে গেলে আপনি ৪০-৫০ দিনের মাথায় মোবাইলে একটি SMS পাবেন যে আপনার পাসপোর্ট রেডী।


পাসপোর্ট রেডী হলে এমন একটি SMS পাবেন

ব্যাস পাসপোর্ট অফিসে চলে যান এবং ছবি তোলার সময় যে রশীদটি দেয়া হয়েছিলো সেটা জমা দিয়ে পাসপোর্ট নিয়ে আসুন

বাংলাদেশি পাসপোর্ট

অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে ধৈর্য নিয়ে এত বড় লেখা পড়ার জন্য। যদি আমার এই ইনফরমেশন গুলো আপনাদের কোন কাজে লাগে তাহলে আমার কষ্ট স্বার্থক। আর নিজে নিজে পাসপোর্ট করার মধ্যে একটা মজা আছে, সেটা আপনি যখন নিজে নিজে পাসপোর্ট করবেন তখন ফিল করতে পারবেন। আমার লেখায় অনেক বানান ভূল হতে পারে আশা করি সেগুলোকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন, আর আমার এই নোট পড়ে উপকৃত হলে শেয়ার করবেন যাতে অন্যরা জানতে পারে।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর

আমার বাড়ি অমুক জেলায় আর আমি থাকি অমুক জেলায়। এখন আমি কোথায় পাসপোর্ট আবেদন করব?

আপনি আপনার বর্তমান অথবা স্থায়ী ঠিকানার যেকোন অফিসে আবেদন করতে পারেন। শুধু মনে রাখবেন আপনার পাসপোর্ট আবেদন ফর্মে স্থায়ী ঠিকানা এবং বর্তমান ঠিকানা যদি ভিন্ন হয় তাহলে দুই জায়গাতেই পুলিশ ভেরিফিকেশন হবে। আর একই ঠিকানা হলে এক জায়গাতেই হবে। এছাড়া আর কোন সমস্যা নেই।

ক্রেডিট

এই বিস্তারিত ও তথ্যবহুল লিখাটির মূল অংশ লিখেছেন আল আমিন খান ভাই। তিনি এটি প্রথম এখানে নোট আকারে প্রকাশ করেন। পরে আমি তার অনুমতি নিয়ে কিছু অংশ যুক্ত করে, কিছু অংশ বাদ দিয়ে এখানে পাবলিশ করলাম।

আশা করি পাসপোর্ট আবেদন সম্পর্কে আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে পেরেছি। তারপরেও আরো কোন প্রশ্ন থাকলে করুন। আমি উত্তর দিব। প্রশ্নের জন্য সাইটের মেইন কমেন্ট বক্সে প্রশ্ন করলে আমার কাছে ইমেইলে নোটিফিকেশনে আসবে তাই দ্রুত উত্তর দিতে পারব। ফেসবুকেও কমেন্ট করতে পারেন তবে উত্তর একটু দেরি হতে পারে।

আর আপনার কাছে যদি আপডেট তথ্য থাকে অথবা কোন তথ্য ভুল মনে হয় তাহলে দয়া করে কমেন্ট করে জানান, আমি আপডেট করব। এতে সবারই উপকার হবে। আমি উপযুক্ত ক্রেডিট দেয়ার চেষ্টা করব।

অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।

নোটিশঃ সম্পুর্ন লেখা কপি করা নিষেধ। কোথাও কোন বিশেষ অংশ সাহায্যের জন্য দিতে পারেন তবে অবশ্যই ক্রেডিট হিসেবে এই পোস্টের লিংক দিবেন। অনেক সময় দিয়ে আপনাদের সুবিধার্ধে এই লেখাটি লিখা হয়েছে, তাই আশা করব কপি পেস্ট থেকে বিরত থেকে লেখকের কষ্টের মূল্য দিবেন।

লেখক সম্পর্কে

Freelance Internet Researcher & Lead Generation Specialist at | Website

ভালো লাগে নিত্য-নতুন বিষয় সম্পর্কে জানতে ও অন্যকে জানাতে। লিখতে অনেক ইচ্ছে হয় কিন্তু সময় বের করে লিখতে পারি না। আর কিছু লিখতে পারলে অনেক ভালো লাগে। ২০১৩ সাল থেকে ফ্রিল্যান্স ইন্টারনেট রিসার্চার ও সেলস এসোসিয়েট হিসেবে কাজ করছি আপওয়ার্কে। বর্তমানে বি.এসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং-এ মন নেই, পড়তে হচ্ছে বলে পড়ছি। ক্যারিয়ারে নিজের মত করে কিছু করতে মন চায়। ভ্রমনের প্রতি আকর্ষন তীব্র আমার। তবুও দেখা যায় বছর শেষে দু এক জায়গার বেশি যাওয়া হয় না। 🙁 আরো পড়ুন https://nirbodh.com/about/

সাইফুল ইসলাম সোহেল

ভালো লাগে নিত্য-নতুন বিষয় সম্পর্কে জানতে ও অন্যকে জানাতে। লিখতে অনেক ইচ্ছে হয় কিন্তু সময় বের করে লিখতে পারি না। আর কিছু লিখতে পারলে অনেক ভালো লাগে। ২০১৩ সাল থেকে ফ্রিল্যান্স ইন্টারনেট রিসার্চার ও সেলস এসোসিয়েট হিসেবে কাজ করছি আপওয়ার্কে। বর্তমানে বি.এসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং-এ মন নেই, পড়তে হচ্ছে বলে পড়ছি। ক্যারিয়ারে নিজের মত করে কিছু করতে মন চায়। ভ্রমনের প্রতি আকর্ষন তীব্র আমার। তবুও দেখা যায় বছর শেষে দু এক জায়গার বেশি যাওয়া হয় না। :-( আরো পড়ুন https://nirbodh.com/about/

59 thoughts to “পাসপোর্ট করার নিয়ম”

  1. Vhai ami ekbar online e apply kore sobkicu printout kori and ami ekhno joma dey ni but oitai kicu ta vhul hoi so ami ki ekhn abr new ekta form puron kore same information diye new passport form apply korte parbi naki amr sob information save hoye gese and je picture dibo oitar upor sottaito korte hbe?

  2. ধন্যবাদ ভাই, পাসপোর্ট নিয়ে তথ্যবহুল নোটের জন্য।
    সত্যায়িত ব্যাপারটা একটু ঝামেলার, এটাকি পাসপোর্ট অফিস থেকে করবে, নাকি আপনি যে সব পেশার লোকদের কথা বলেছেন তাূের থেকে করাতে হবে, কারন তাদের কে সহজে পাওয়া যায়না এসব কাজের জন্য।
    আমি নিজে পাসপোর্ট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি কোন দালাল ছাড়া, কিন্তু এ সত্যায়িত ব্যাপার টা নিয়ে একটু চিন্তিত

  3. ভাইয়া আসসালামুআলাইকুম,,,
    আমি রাজশাহীতে থাকি, ভোটার আইডি card করার সময় আমরা কলোনীতে থাকতাম, সেইখানকার ঠিকানা আইডিতে আছে, এখন বাড়ি কিনে স্থায়ী হয়েছি, আবেদন form এ এখন present address আর permanent address কি দিলে সঠিক হবে যদিএকটু বলতেন ভাই তাইলে উপকার হইইতো পাসপোর্ট করাটা খুব জরুরী এই মূহুর্তে (চিকিৎসার জন্ন)

  4. passporter total kaj ami akai korechi. Forom fill up theke suru kore e-payment dewa, print kora, attested kora, electricity bill er attested copy, Smart card er attested photocopy. Akhn ki ami documents gula joma dte pari??? Kono problm ba kono kicu bad neito?????

    1. আর একটা বিষয় তা হলো চালানে ঢাকা জেলার লোকাল ব্রাঞ্চ উল্লিখিত আছে। কিন্তু ফরমে সোনালী ব্যাংক চাঁদপুর ব্রাঞ্চ হয়েছে। আমি অপশনে গিয়ে ঠিক করতে চেয়েছিলাম কিন্তু ঢাকার লোকাল ব্রাঞ্চ অপশন নাই। তাহলে এটা নিয়ে উনারা আবার দোষ ধরবে নাকি?

        1. আমার মায়ের নামের বানান সবজায়গাতে মুর্শেদা বেগম, কিন্তূ NID তে ভুলবশত মোর্শেদা বেগম এসেছে,
          এখন আমি যদি সঠিক বানান টি ব‍্যবহার করি তাহলে কোনো সমস্যা হবে কি?

  5. আমার মায়ের নামে u এর জায়গায় o এসেছে আর বাবার নামে U আসেনাই। আমি কি সংশোধন করতে পারব? সেক্ষেত্রেও কি ২১ দিন লাগবে?

      1. আমার আইডি কার্ডে নাম(Shahad)কিন্তু সার্টিফিকেটের নামে আছে(Shahed)…সচরাচর নাম Shahed…. এখন আমার প্রস্ন হলো আমি পাসপোর্টেে কি আইডি কার্ডের নাম নাকি সার্টিফিকেটের নাম এপ্লাই করবো????????

  6. আসসালামুয়ালাইকুম ভাইজান। আমার স্থায়ী ঠিকানা আর বর্তমান ঠিকানা একই দিয়ে আবেদন করলে আমাকে আমার জেলা অফিসে আবেদন করতে হবে নাকি অন্য কোথাও দিলেও চলবে?? ধরুন আমি ফরিদপুর জেলার লোক কিন্তু চট্টগ্রামে যদি বানাতে দেই তাহলে কি করতে হবে ভাই?? কষ্ট করে যদি একটু বলতেন

    1. অআলাইকুম আসসালাম ভাইজান। বর্তমান অথবা স্থায়ী ঠিকানার যেকোন জায়গায় আবেদন করতে পারবেন। তার মানে দুটি একই দিলে ফরিদপুরেই আবেদন করতে হবে। চট্টগ্রামে দিলে সেখানকার বর্তমান ঠিকানা দিতে হবে।

      1. ভাই আমার কোনো স্থায়ী ঠিকানা নাই ভাড়া থাকি। আমার ভোটার আইডি কার্ডে আগে যে বাসায় ভাড়া থাকতাম ওই জায়গার ঠিকানা দেয়া স্থায়ী ও অস্থায়ী দুইটাই। এখন আমি নারায়নগঞ্জ ভাড়া থাকি। তো আমার পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে কি কি সমস্যা হতে পারে?

      2. ভাই সালাম নিবেন
        ন্যাশনল ‌‌‌আইডি কার্ড চাঁদপুরের
        এখন‌ নারায়ণগঞ্জ এ থাকা হয়
        এখন পাসপোর্ট করার সময় স্থায়ী এবংঅস্থায়ী ঠিকানা নারায়ণগঞ্জ ব্যবহার করা যাবে? একটু জানালে উপকৃত হইতাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.