ভারতীয় ভিসা আবেদনের বিস্তারিত নিয়ম

Last updated on July 13th, 2018 at 11:07 pm

আপনারা যারা ভারত যেতে চাচ্ছেন টুরিস্ট হিসেবে তাদের প্রথম যে জিনিসটি জরুরি তা হল ভারতীয় ভিসা। ইন্ডিয়ান ভিসা প্রসেস করার জন্য আপনারা হয়ত অনেকেই কোন এজেন্ট দিয়ে  ভিসার ফর্ম পুরন ও ভিসা ফি পরিশোধ করিয়ে থাকেন। এজন্য গুনতে হয় অতিরিক্ত খরচ। এছাড়া ফর্ম পুরনেও মাঝে মাঝে ভুল হয়ে থাকে যেগুলো নিজে করলে এড়ানো সম্ভব। এখন আপনি কিন্তু কোন এজেন্টের সহায়তা ছাড়াই নিজে নিজেই করে ফেলতে পারেন ফর্ম পুরন থেকে শুরু করে জমাদান পর্যন্ত সকল কাজ।



আজ এখানে আমি আপনাদের ইন্ডিয়ান ভিসা পাওয়ার উপায় তথা ইন্ডিয়ান ভিসা আবেদন করার নিয়ম বিস্তারিত জানাবো। কিভাবে ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন করবেন ও এর জন্য কি কি কাগজপত্র লাগবে, কোথায়, কিভাবে আবদনপত্র জমা দিবেন ইত্যাদিসহ সবকিছু সাথে আমার নিজের আবেদন জমা দেয়ার অভিজ্ঞতা। আমি নিজে গতবছর ডিসেম্বরে আমার ভিসা আমি করিয়েছি। এছাড়া গতবছর এপ্রিলেও আমি আমার ভাইয়ের ভিসার সব কিছু রেডি করে দিয়েছি।

লেখাটি অনেক বড় বিধায় প্রয়োজনীয় অংশে দ্রুত নেভিগেট করতে এই  ‘Quick Navigation’ মেনুটি ব্যবহার করতে পারেন। ‘Quick Navigation’ এর পাশের [show] তে ক্লিক করলেই সম্পুর্ন মেনু দেখতে পারবেন।

 

চলুন, প্রথমেই জেনে নেই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধাপগুলো কি কি।

১. আবেদন ফর্ম রেডি করা (পুরণ করা, ছবি আর স্বাক্ষর দেয়া)

২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি সংগ্রহ

৩. ভিসা আবেদন ফি পরিশোধ করা

৪. ভিসা আবেদন জমা দেয়া

৫. পাসপোর্ট সংগ্রহ বা ফেরত নেয়া।




 

ইন্ডিয়ান ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আপনারা যারা জানেন কিভাবে কি করতে হয়, শুধু জানতে এসেছেন যে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে এখং এত বড় লেখা পড়ার সময় নেই তাদের জন্য এটুকুই যথেষ্ট। তাহলে চলুন এখন, যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হবে তা এক নজরে দেখে নিই। এখানে সব ডকুমেন্ট যে ক্রমে জমা দিতে হবে সেই ক্রম অনুযায়ী দেয়া হল। IVAC গেলেই দেখবেন উচ্চসরে বারবার বলা হবে যে এই ক্রমে কাগজ রেডি করুন।

  • পাসপোর্ট
  • এককপি ২x২ ইঞ্চি মাপের প্রিন্টেড ছবি ও আরেটি সফট কপি।
  • পুরনকৃত ফর্ম
  • স্মার্ট কার্ড/এনআইডি অথবা জন্ম সনদের ফটোকপি
  • ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস বা টেলিফোন বিল)
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা ডলার এনডোর্সমেন্ট
  • পেশার প্রমাণপত্র (চাকুরিজীবি হলে NOC, ছাত্র হলে আইডি কার্ড বা বেতনের রশিদ আর ব্যাবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স এর ফটোকপি)
  • অন্য কোন সাপোর্টিং কাগজ যদি দিতে চান।
  • পাসপোর্ট এর ডাটা পেইজের ফটোকপি
  • যদি পুরাতন পাসপোর্ট থাকে তাহলে অবশ্যই দিতে হবে। আর হারিয়ে গেলে লস্ট সার্টিফিকেট।

 

আইভ্যাক এ ঝুলানো কাগজপত্রের লিস্ট

সকল কাগজপত্রের মেইন কপি নিয়ে যাবেন, ওরা দেখতে চাইবে। না দেখাতে পারলে জমা নাও নিতে পারে। কাগজগুলো স্ট্যাপল করার দরকার নেই, ওরা বলে স্ট্যাপল করা থাকলে খুলে ফেলতে। আপনি চাইলে একটা ফাইলে সব নিতে পারেন।

এখানে শুধুমাত্র ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য যেসব ডকুমেন্ট লাগে তা উল্লেখ করা হয়েছে। মেডিক্যাল, ট্রানজিট ও ব্যাবসা ভিসার জন্য প্রধান সব ডকুমেন্ট একই তবে আলাদা আলাদা কিছু ডকুমেন্ট লাগে যা আমি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। আপনারা IVAC এর হেল্পলাইন থেকে জেনে নিতে পারেন। 🙂

১. ভারতীয় ভিসার আবেদন ফরম প্রস্তুত করা

আবেদন ফর্ম পুরন করার আগে আপনার এই অফিসিয়াল নির্দেশনাগুলো পড়া উচিৎ। আবেদনপত্র পুরন করার আগে আপনার ছবির একটা সফট কপি লাগবে যেটা আপনাকে একেবারে শেষ ধাপে আপলোড করতে হবে। তাই আগে থেকেই রেডি রাখুন। ওদের মতে ”ডিজিটাল ছবি ও একটি রঙ্গীন ছবি (উভয় ছবিই একই হতে হবে এবং তিন মাসের কম সময়ের মধ্যে তোলা হতে হবে।” আর কোথায় কি তথ্য দিয়ে ফর্ম পুরন করতে হবে তা দেখুন IVAC প্রদত্ত এই ফাইলটিতে।

এখন ইন্ডিয়ান ভিসা ফরম পুরন করতে যান চলে এই লিংক https://indianvisa-bangladesh.nic.in/visa/index.html তারপর ‘Online Visa Application‘ লিংকে ক্লিক করে তথ্য পুরন করা শুরু করুন।

উপরের স্যাম্পল ফাইল দেখলেই বুঝবেন কি কি তথ্য কোথায় দিতে হবে। শুধু যেখানে ইন্ডিয়ার কোন রেফারেন্স চাইবে সেখানে যেকোন হোটেলের নাম ঠিকানা, টেলিফোন দিলেই হবে। গুগল ম্যাপে সার্চ দিলেই অনেক হোটেলের নাম পাবেন। একি ভাবে শেষের দিকে ভারতে কোন হোটেলে থাকবেন সেইরকম হোটেলের নাম চাইবে, সেখানেও সেইম হোটেলের নাম, ঠিকানা, টেলিফোন দিন।

 

ভিসা ডিটেলস

আপনি কি ভিসা চাচ্ছেন, কত মাসের জন্য, এন্ট্রি সংখ্যা ও  সবচেয়ে গুরত্বপুর্ন হল পোর্ট সিলেকশন অংশ।

আপনাকে একেবারে প্রথম দিকেই ‘Visa Type’ সিলেক্ট করতে হবে। আপনি যেহেতু টুরিস্ট হিসেবে যাচ্ছেন সেহেতু ‘TOURIST VISA’ সিলেক্ট করুন।

কত মাসের ভিসা চাচ্ছেন এখানে আপনি ৩, ৬, ১২ আপনার যেটা দরকার সেটা দিতে পারেন। তবে ১২ দেয়াই ভাল, কেননা ওরা চাইলে ১২ বদলে ৬ মাস দিতে পারে। কিন্তু আপনি ৩ মাস চাইলে তো আর ওরা ৬ মাস দিবে না।

No of Entries অপশনে আপনি কতবার ভারতে প্রবেশ করতে চান সেটা দিবেন। আপনি SINGLE অথবা MULTIPLE যেতা দরকার দিতে পারেন। তবে ভিসার মেয়াদের মাঝে একাধিকবার যেতে চাইলে MULTIPLE দিবেন।

সবচেয়ে গুরত্বপুর্ন অংশ হল পোর্ট সিলেকশন। মানে যাওয়া আসার জন্য কোন পোর্ট সিলেক্ট করবেন। যেমন ধরুন আমাদের দেশে ৩ টা পোর্ট খুবই জনপ্রিয়। হরিদাসপুর/বেনাপোল, ডাউকি/তামাবিল ও চ্যাংড়াবান্ধা/বুড়িমারি। যারা শিলং যেতে চান তারা BY ROAD DAWKI, যারা দার্জিলিং যেতে চান তারা Changrabandha ও যারা কলকাতা বা কলকাতা হয়ে ইন্ডিয়ার অন্য শহর যাবেন তারা Haridaspur সিলেক্ট করবেন। এখন আরেকটি বিষয় মাথায় রাখবেন যে আপনার যেকোন পোর্টের ইন্ডিয়ার ভিসা থাকলেই আপনি ইন্ডিয়ার যেকোন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে, Haridaspur দিয়ে গাড়িতে ও Gede দিয়ে রেলে যেতে পারবেন। তাই আমার মতে আপনি প্রিফারেন্সের ভিত্তিতে অন্য যেকোন পোর্ট সিলেক্ট করতে পারেন কেননা আপনি Haridaspur by Road, Gede by Rail and AIR তো ফ্রি পাচ্ছেনই এর সাথে। তাই আমি আমার বেলায় ‘BY ROAD DAWKI’ সিলেক্ট করেছিলাম। আশা করি বুঝতে পারছেন।

 

সবার শেষে ছবি আপলোড করে ফর্মটি প্রিন্ট করে নিন।

এখন এক কপি ২x২ ইঞ্চি মাপের ওই একই ছবির একটি ছবি আঠা দিয়ে লাগিয়ে নিন।

এখন ছবির ঠিক নিচের বক্সে ও ২য় পেইজের নিচে ডান দিকে পাসপোর্টের মত স্বাক্ষর করুন।

ব্যাস হয়ে গেল ফর্ম রেডি।

 

মনে রাখবেন

  • ফর্ম পুরন শুরু করার পর ওরা একটা Temporary ID দিবে। এইটা সেইভ করে রাখুন। কারন কোন কারণে সার্ভারে সমস্যা থাকলে বা আপনি বাকি অংশ পরে পুরন করতে চাইলে এই লিংকে গিয়ে ‘Complete Partially Filled
    Form’ এ ক্লিক করে Temporary ID ও ক্যাপচা দিয়ে আবার আগের জায়গা থেকে শুরু করতে পারেবেন।
  • ফর্ম সম্পুর্ন পুরন হয়ে গেলে আর নিজে এডিট করতে পারবেন না। তবে আবেদন কেন্দ্রে গেলে ওরা ঠিক করে দিবে, কিন্তু ফি ৩০০ টাকা।
  • ফর্ম পুরন করার পর ৮ দিনের মাঝে জমা দিতে হবে, না হলে এক্সপায়ার হয়ে যাবে।
  • জরুরি তথ্যগুলো সতর্কতার সাথে, পাসপোর্ট দেখে পুরন করুন। যেমন নামের বানান, জন্ম তারিখ, পাসপোর্ট নাম্বার ও অন্যান্য তথ্য।

 

 

২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি সংগ্রহ

যেসব কাগজপত্র পাসপোর্ট ও ফর্মের সাথে দিতে হবে তা উপরে সংক্ষপে বলা হয়েছে। এখানে বিস্তারিত তুলে ধরা হল। আপনি অফিয়াল ওয়েবসাইট হতেও দেখে নিতে পারেন এখান থেকে। তবে এখানে আমি সহজে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করব।

 

স্মার্ট কার্ড/এনআইডি অথবা জন্ম সনদের ফটোকপি

এর যেকোন একটা হলেই হবে। এইগুলা দ্বারা দেখা হয় যে আপনি এই দেশের নাগরিক, এছাড়া স্থায়ী ঠিকানা প্রমানের জন্যও এটা দরকার। ফর্মে স্থায়ী ঠিকানা এ অনুযায়ী পুরন করবেন।

ইউটিলিটি বিলের ফটোকপি

গত তিনমাসের, Paid অথবা Unpaid বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস বা টেলিফোন বিলের ফটোকপি। এর সাথে শুধুমাত্র আপনার বর্তমান ঠিকানার মিল থাকতে হবে। হুবুহু, মিল থাকতে হবে এমন হয়, তবে ঝামেলা এড়াতে এটা দেখেই ফর্ম পুরন করা উচিৎ।

ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা ডলার এনডোর্সমেন্ট

আর্থিক স্বচ্ছলতার প্রমাণের জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা ডলার এনডোর্সমেন্ট লাগবে।

ব্যাংক স্টেটমেন্টঃ  একাউন্টে কমপক্ষে ২০,০০০ টাকা রেখে গত ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট নিন। অনলাইন কপি হলে হবে না, ব্যংকে সিল ও স্বাক্ষর থাকতে হবে। আর ভিসা আবেদন শেষ না হওয়া পর্যন্ত ব্যালেন্স বজায় রাখুন। ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর ফটোকপি না দিয়ে, মেইন কপিই দিয়ে দিতে পারেন। আপনার নিজের ব্যাংক স্টেটমেন্ট না থাকলে আপনি আপনার বাবা-মায়ের ব্যাংক স্টেটমেন্টও ব্যাবহার করতে পারেন।

 

ডলার এনডোর্সমেন্টঃ এখন থেকে মানি এক্সচেঞ্জ এর ডলার এনডোর্সমেন্ট IVAC গ্রহণ করে না। তাই আপনাকে কোন তফসিলি ব্যাংক মানে সরকারি, বেসরকারি যেকোন ব্যাংক থেকে ১৫০ ডলার এনডোর্স করতে হবে। তবে আপনি ২০০ করাতে পারেন। আর অবশ্যই এনডোর্সমেন্ট এর পেপার এর কপি জমা দিতে হবে, শুধু পাসপোর্টে এনডোর্স করালে হবে না। এনডোর্সমেন্ট এর পেপার বর্ডারে লাগতে পারে তাই কপি বা মেইন কপিি সংরক্ষণ করুন।

 

ক্রেডিট কার্ডঃ  আপনার যদি আন্তর্জাতিক ডেবিট অথবা ক্রেডিট কার্ড থাকে তাহলে, এর  জন্যও ব্যাংক থেকে এনডোর্সমেন্টের কপি নিয়ে জমা দিতে হবে। মেইন কপি সাথে রাখুন। ওরা সম্ভবত এটাকে yearly endorsement বলে।

 

পেশার প্রমাণপত্র

আপনি ছাত্র হলে স্টুডেন্ট আইডি কার্ড বা বেতনের রশিদ এর ফটোকপি।

চাকুরীজীবী হলে NOC (No Objection Certificate)

আর ব্যাবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্সের কপি দিবেন।

 

ফ্রিল্যান্সার হলে যে প্লাটফর্মে কাজ করেন সেখান থেকে কিছু দিতে পারেন। যেমন ধরুন প্রোফাইলের প্রিন্ট, আর্নিং হিস্টোরি। আর যারা Upwork এর কাজ করেন তারা ‘Certificate of Earnings’ দিতে পারেন। যেকোন দেশের ভিসা আবেদনে ইহা ওষুধের মত কাজ করে। 😀 ইন্ডিয়ান ভিসা ফর্মে পেশা হিসেবে Freelancer অপশন আছে। 🙂

 

অন্যান্য

আর অন্য কোন কাগজ যদি দিতে চান তাহলে আপনি দিতে পারেন। তবে আবশ্যিক কিছু না।

 

৩. ভিসা আবেদন ফি পরিশোধ করা

কেন্দ্রভেদে ভিসা ফি ৬০০/৭০০ হয়ে থাকে। আপনি কোন কেন্দ্রে আবেদন জমা দিবেন সেই অনুযায়ী ফি দেখে নিন IVAC এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে।  ইন্ডিয়ান ভিসা আপনি দুইভাবে জমা দিতে পারেন।

  • আপনি নিজে
  • এজেন্ট দ্বারা

 

নিজে নিজে

ইন্ডিয়ান ভিসা ফি জমা দেয়া এখন খুবই সহজ। আপনি নিজে ঘরে বসে ইন্ডিয়ান ভিসা ফি জমা দিতে পারেন। এর জন্য এই লিংকে গিয়ে বিস্তারিত পুরন করে বিভিন্ন পেমেন্ট অপশনের যেকোন একটা দিয়ে পে করতে পারবেন। পেমেন্ট অপশন গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বিকাশ, রকেট, DBBL Nexus, দেশি বিদেশি ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড ইত্যাদি। কিভাবে পুরো প্রক্রিয়াটা শেষ করবেন তার জন্য IVAC বিস্তারিত একটা ম্যানুয়াল রেডি করে রেখেছে, সেটা দেখুন এখানে

এজেন্ট দ্বারা

এখন আপনি যদি নিজে ফি দিতে না চান, তাহলে ভিসা আবেদন কেন্দ্রের আশেপাশে অনেক দোকান পাবেন যারা ফি জমা দিয়ে দেয়। ৬০০ টাকার ফি IVAC চার্জসহ ৬১৮ নেয়। আর এজেন্টরা ৬৫০ থেকে ৭০০ বা এর বেশিও নিতে পারে।

যেভাবেই পেমেন্ট দিন না কেন আপনার ফোন নাম্বারে একটা মেসেজ আসবে। কোন প্রিন্ট আউট বা মেসেজ দেখানোর দরকার পরে না, যদি না পেমেন্ট নিয়ে কোন সমস্যা হয়। আপনি শুধু নিজে একবার এই লিংক থেকে চেক করে নিবেনন যে আপনার আবেদনের ফি সঠিকভাবে জমা পড়েছে কিনা। লিংকে ক্লিক করার পর উপরে ডান দিকে ‘CHECK PAYMENT STATUS’ এ ক্লিক করে আপনার WEB FILE NUMBER, Passport No আর ক্যপাচা পুরন করে দেখে নিন আপডেট। এখানে ঠিক দেখালে আর কিছু কোন চিন্তা নেই। এখন জমা দিতে চলে যান। 🙂

 

৪. ভিসা আবেদন জমা দেয়া

ভিসা ফি জমা দেয়া হয়ে গেলে এখন আপনাকে ভিসা আবেদন কোন Indian Visa Application Center (IVAC) বা ‘ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (আইভ্যাক)’ – এ জমা দিতে হবে। কেন্দ্রভেদে আপনার ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা ইটোকেন লাগতে পারে। তবে এখন অনেক কেন্দ্রেই অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা ইটোকেন লাগে না। আপনি আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি যে কেন্দ্রে জমা দিবেন সেখানে অ্যাপয়েন্টমেন্ট লাগবে কিনা। আমি দিয়েছিলাম ঢাকার শ্যামলীতে অবস্থিত কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে কোন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা ইটোকেন লাগে না, সব কিছু রেডি করে একদিন গেলেই হয়। তবে এখানে প্রচুর ভীড় থাকে। আমি একদিন সকাল ৮ টায় গিয়ে লাইনে দাড়িয়েছিলাম। এর পর পুরো কাজ শেষ করে বেড়িয়ে আসতে পেরেছিলাম ১ঃ১৫ এর দিকে। তাহলে বুজতেই পারছেন কি অবস্থা। কিন্তু এইদিন আমার ছবিতে সমস্যার কারণে জমা নেয় নি। ওই ম্যডাম বললেন, এত এঙ্গেলে তোলা ছবির জন্য আমি জমা নেব না। যদিও খুব সমস্যা ছিল না, কারন এপ্রিলে আমার ভাইয়ের ছবি এর চেয়ে এঙ্গেল ছিল। যাইহোক আপনারা স্টুডিও থেকে ভাল করে ছবি তুলবেন। এরপর আমি রবিবার গিয়েছি আরো সকালে, প্রার ৭ঃ৩০ টার দিকে। আজ একটু আগে যাবার কারণে ১০ মাঝেই জমা দিয়ে ফেরত আসতে পেরেছিলাম। তাই আপনারাও আগে যাবার চেষ্টা করুন।

প্রথমে লাইন ধরে দাড়াতে হবে, এর পর গেটের কাছাকাছি গেলে ওরা আগে থেকেই প্রিন্ট করা সিরিয়াল টোকেন দিবে যেটা নিয়ে আপনাকে ভেতরের রুমে গিয়ে বসতে হবে। এখানে গেলেই দেখবেন ওদের টোকেন-ডিস্প্লে নষ্ট বা কাজ করে না। ওরা মুখে মুখে সিরিয়াল ডাকবে। তাই মনযোগ দিয়ে শুনবেন, একবার মিস করলে আবার টকেন নিতে হবে, এতে অনেক পিছনে পোরে যাবেন শুধু শুধু। এর মাঝে ওরা জোরে জোরে বলবে যে কিভাবে আবেদনপত্রের সব কাগজগুলো সাজাবেন। এরপর আপনার সিরিয়াল আসলে কাউন্টারে গেলে একজন এক্সিকিউটিভ সব চেক করবেন, আপনার সব ডকুমেন্টের মুল কপি দেখতে চাইবেন। তবে হাতে আগে থেকেই নিয়ে রাখলে দেখতে চায় না, না থাকলে চায়। 😛  আপনি কি করেন, ব্যংক স্টেটমেন্ট কার, কেন ইন্ডিয়া যাবেন এই টাইপের কিছু প্রশ্ন করতে পারে। এরপর সব ঠিক থাকলে আপনাকে একটা রশিদে স্বাক্ষর করে, আরেকটা রশিদ দেয়া হবে। এই রশিদ দিয়ে পাসপোর্ট ফেরত নিতে হবে। তাই যত্ন করে রাখুন।

 

এই শ্যামলী ভিসা আবেদন কেন্দ্রের কিছু বিষয়.

 

  • এই কেন্দ্রে ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য কোন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বা ই-টোকেন লাগে না।
  • ভিসা আবেদন সকাল ৮ঃ৩০ থেকে ১২ঃ৩০ পর্যন্ত নেয়া হয়। ১২ঃ৩০ এর পর আর কাউকে ঢুকতে দেয় না, এর মাঝে যার ঢুকবে তাদের আবেদন নিবে।
  • দালালরা বলবে টাকার বিনিময়ে আগে ঢুকিয়ে দিবে। আপনি দালালদের কথা শুনবেন না, কারন আমরাই কিন্তু এদের সার্ভিস নিয়ে পুরো সিস্টেম পঙ্গু করেছি। শুধু আজ একটু সময় বাচাতে গিয়ে একটা অনিয়ম করবেন না। তাই একটু অপেক্ষা করুন সবাই নিয়মমত জমা দিন। দেখুন কেউ দালাল না ধরলে কিন্তু আপনিও আগে যেতে পারবেন। 🙂
  • ভিতরে ফটোকপির ব্যবস্থা আছে। প্রতি পেইজ ৪ টাকা
  • কফির ব্যবস্থা আছে, ২৫ টাকা প্রতি কাপ।
  • খাবার পানির ব্যবস্থা আছে (ওয়ান টাইম গ্লাসসহ)।
  • ভেতরে ফোনে কথাবলা নিষেধ, তবে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, হেডফোনে গান শুনতে পারেন। প্রধান কথা ভেতরে ফোনে কথা বলবেন না।
  • ব্যাগ নিয়ে ভেতরে ঢোকা যাবে না। তবে ঢোকার আগে ২০ টাকা দিয়ে ব্যাগ জমা রেখে যেতে পারেন। ওরা একটা টোকেন দিবে।
  • মহিলাদের জন্য লাইন ছোট, তাই তারা সহজেই ভিতরে ঢুকতে পারে।
  • ৬৫ বছরের উর্ধের ‘Senior Citizen’ দের কোন লাইনে দাড়াতে হবে না, আর তাদের জন্য আলাদা কাউন্টারও আছে।
  • এখানে এখন শুধু টুরিস্ট ভিসা আবেদন জমা নেয়া হয়।
  • কেউ তার পরিবারের সদস্যদের আবেদন একসাথে জমা দিতে পারেন। যেমন কেউ তার স্ত্রী-সন্তান, ও বাবা-মা’র আবেদন নিজে জমা দিতে পারবেন। আবার কোন মহিলা, তার স্বামী ও সন্তানদের আবেদন জমা দিতে পারবেন। এজন্য যে জমা দিবে তার নিজের পাসপোর্টের কপি সব আবেদনপত্রের সাথে জমা দিতে হবে। 

 

শ্যামলী ভিসা আবেদন কেন্দ্রের ঠিকানা

আইভিএসি, মিরপুর রোড, ঢাকা

আলামিন আপন হাইটস ২৭/১ / বি (১ ম তলা) শ্যামলী,
(শ্যামলী সিনেমা হলের বিপরীতে)
মিরপুর রোড, ঢাকা ১২০৭

Hot Line: 09612 333 666, 09614 333 666

E-mail: info@ivacbd.com

(শ্যামলী মোড়ের একটু সামনেই)

গুগলে ম্যাপে দেখুন

 

 

৫. পাসপোর্ট সংগ্রহ করা

আপনি ভিসা আবেদন জমা দেয়ার সময় আপনাকে একটি প্রাপ্তি রশিদ দেয়া হবে যাতে আপনার নাম, পাসপোর্ট নম্বর, Web File No, ভিসা আবেদন ফি ইত্যাদিসহ একটা তারিখ দেয়া থাকবে। তারিখটি এভাবে দেয়া থাকে  ‘Delivery on or after: 2017-12-17’. এর মানে আপনি উল্লিখিত তারিখ বা এর পর যেকোনদিন নির্ধারিত সময়ে পাসপোর্ট ডেলিভারি নিতে পারবেন। তবে সব সময় যে রশিদে উল্লিখিত সময়েই পাসপোর্ট ডেলিভারি দেয়া হবে এমন কিন্তু নয়। তাই আপনি আইভ্যাকে যাওয়ার আগে চেক করে নিন যে আপনার আবেদনের কি অবস্থা। সাধারণত ওরা আগেই এসএমএস এর মাধ্যমে জানিয়ে দেয় যে আপনার পাসপোর্ট ডেলিভারির জন্য প্রস্তুত। এছাড়া আপনি আইভ্যাকের ওয়েবসাইটে আপনার ভিসার আবেদন ট্র্যাক করতে পারেন। এজন্য আপনাকে যেতে হবে এই ঠিকানায়, এরপর আপনি যেই সেন্টারে আপনার আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন তা সিলেক্ট করুন।

 

এখন নিচের দেখানো বক্সে ‘Web file Number’ দিয়ে সাবমিট করুন। এখন আপনি আপনার ভিসা আবেদণের বর্তমান অবস্থা জানতে পারবেন।

 

 

 

সাধারণত IVAC গুলো ৩:৩০ থেকে ৫:৩০ পর্যন্ত পাসপোর্ট ডেলিভারি দিয়ে থাকে। নিচের ছবিটি দেখুন, এটি আমাকে দেয়া হয়েছিল ফর্ম জমা দেয়ার পর।

IVAC Dhaka Receipt
IVAC Receipt

 

৩ঃ৩০ থেকে পাসপোর্ট ডেলিভারি দেয়ার কথা থাকলেও আমি যেদিন গিয়েছি সেদিন ৪ টা শুরু করেছিল। ভিসা জমা দেয়ার জন্য সকালে যে লাইন হয় তার চেয়ে পাসপোর্ট নিতে বেশি বড় লাইন হয়। তবে আশার কথা পাসপোর্ট নিতে বেশি সময় লাগে না তাই দ্রুতই লাইন শেষ হয়। আমার ব্যক্তিগত ধারনা, ৪ঃ৫০ এর পর আসাই ভাল এতে, বাইরের লাইন শেষ হয়ে যায়।  পাসপোর্ট ডেলিভারির সময় তারা কোন কথা বলবে না, শুধু রশিদ দিবেন আর পাসপোর্ট নিবেন। 🙂

তো আপনার পাসপোর্ট নিয়ে নিন, আর চেক করে দেখুন ভিসা পেয়েছেন কিনা। ভিসা পেলে একটা পেইজে ভিসা লাগানো দেখবেন। আমি ১২ মাসের এপ্লাই করেছিলাম, কিন্তু ওরা ৬ মাসের ভিসা দিয়েছে। 🙂 তো ঘুরে আসুন ইন্ডিয়া আর এসে লিখে ফেলুন আপনার ভ্রমণ অভিজ্ঞতা।  🙂

আমি এইবছরের মে মাসে ঘুরে এলাম মেঘালয় থেকে। আমি ঘুরেছি, ডাউকি, মাউলিলং, স্নোনেংপেডেং, চেরাপুঞ্জি ও শিলং। আমার লেখা মেঘালয় ভ্রমণ গাইড পড়ুন এখানে। মেঘালয়/শিলং ভ্রমণ গাইড বিস্তারিত খরচ ও অন্যান্য তথ্য।

আর ভিসা না পেলে পেইজে কিছুই থাকবে না, মানে পাসপোর্ট যেমন জমা দিয়েছেন সেরকমই ফেরত পাবেন। Bad luck :-(. আবার চেষ্টা করুন ভাই।

 

আশা করি ইন্ডিয়ান ভিসা আবেদন সম্পর্কে আপনাদের সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে পেরেছি। তারপরেও কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করুন আমি উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব। আর আপনার কাছে যদি আপডেট তথ্য থাকে  অথবা কোন তথ্য ভুল মনে হয় তাহলে দয়া করে কমেন্ট করে জানান, আমি আপডেট করব। এতে সবারই উপকার হবে। আমি প্রপার ক্রেডিট দেয়ার চেষ্টা করব।

অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।

 

নোটিশঃ সম্পুর্ন লেখা কপি করা নিষেধ। কোথাও কোন বিশেষ অংশ সাহায্যের জন্য দিতে পারেন তবে অবশ্যই ক্রেডিট হিসেবে এই পোস্টের লিংক দিবেন। অনেক সময় দিয়ে আপনাদের সুবিধার্ধে এই লেখাটি লিখা হয়েছে, তাই আশা করব কপি পেস্ট থেকে বিরত থেকে লেখকের কষ্টের মূল্য দিবেন। 🙂 

লেখক সম্পর্কে

Freelance Internet Researcher & Lead Generation Specialist at

ভালো লাগে নিত্য-নতুন বিষয় সম্পর্কে জানতে। লিখতে অনেক ইচ্ছে হয় কিন্তু সময় বের করে লিখতে পারি না। আর কিছু লিখতে পারলে অনেক ভালো লাগে। ২০১৩ সাল থেকে ফ্রিল্যান্স ইন্টারনেট রিসার্চার ও সেলস এসোসিয়েট হিসেবে কাজ করছি আপওয়ার্কে। বর্তমানে বি.এসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং-এ মন নেই, পড়তে হচ্ছে বলে পড়ছি। ক্যারিয়ারে নিজের মত করে কিছু করতে মন চায়। ভ্রমনের প্রতি আকর্ষন তীব্র আমার।

Facebook Comments

Saiful Islam Sohel

ভালো লাগে নিত্য-নতুন বিষয় সম্পর্কে জানতে। লিখতে অনেক ইচ্ছে হয় কিন্তু সময় বের করে লিখতে পারি না। আর কিছু লিখতে পারলে অনেক ভালো লাগে। ২০১৩ সাল থেকে ফ্রিল্যান্স ইন্টারনেট রিসার্চার ও সেলস এসোসিয়েট হিসেবে কাজ করছি আপওয়ার্কে। বর্তমানে বি.এসসি ইন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং-এ মন নেই, পড়তে হচ্ছে বলে পড়ছি। ক্যারিয়ারে নিজের মত করে কিছু করতে মন চায়। ভ্রমনের প্রতি আকর্ষন তীব্র আমার।

162 thoughts to “ভারতীয় ভিসা আবেদনের বিস্তারিত নিয়ম”

  1. আপনার লেখা পড়ে অনেক কিছু জানতে পেরেছি৷ তো নিজের সংরক্ষণের জন্য কি কপি করতে পারি???

    1. প্রথমে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ নাঈম কমেন্টের জন্য। আর আপনি যে অনুমতি চেয়েছেন সেই সৌজন্য দেখে ভাল লাগছে। হ্যা পারেন। লিংক বুকমার্ক করতে পারেন বা আপনি যেভাবে পান। 🙂

  2. অামার ডলার endorse এর মেইন কপিটি হারিয়ে গেছে, কিন্তু ফটোকপি করা ছিলো ; ফটোকপি দিয়ে কি ভিসার কাজ হবে?

    1. আপনি আইভেক এর হটলাইনে কল দিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন। 09612 333 666

      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। 🙂

  3. ভাই আমি ফেনী বিলোনিয়া বর্ডার দিয়ে ইন্ডিয়া জেতে চাই তাহলে আমি ভিসা আবেদন করার সময় কোন পোর্ট সিলেক্ট করব। দয়াকরে জানালে উপকৃত হব।

    1. এই বর্ডারের বাংলাদেশ অংশের নাম ‘ফেনি’ আর ইন্ডিয়ান অংশের নাম ‘বিলোনিয়া’. তাহলে আপনি বিলোনিয়া সিলেক্ট করবেন। আমি তো এই পোর্ট দিয়ে আবেদন করিনি, তাই আমি ইন্টারনেট থেকে খুঁজে দিলাম।
      অনেক ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য। 🙂

  4. আমার পাসপোর্টে Permanent address -এ House No. উল্লেখ নেই (বাড়ী যেহেতু গ্রামে) , কিন্ত Application Form-এ House No./Street অংশটি পূরণ বাধ্যতামূলক (যেখানে বলা হয়েছে Permanent address হতে হবে হুবহু পাসপোর্টে উল্লেখিত লেখা অনুযায়ী)। আমি এই অংশে কি লিখবো, দয়া করে জানাবেন ।

    1. আমাদের যাদের গ্রামের ঠিকানা তাদের সবারই এইরকম। আপনি গ্রামের নাম দিন।

  5. আমার বউ এর আইডি কার্ডে তার বাপের বাড়ির ঠিকানা দেওয়া কিন্তু পাসপোর্টে স্থায়ি ঠিকানা শশুর বাড়ির দেওয়া।কোন প্রব্লেম হবে?কোন ঠিকানা দিব??

    1. পাসপোর্টে  ঠিকানা কি দেয়া সেটা ব্যপার না। স্থায়ী ঠিকানা আপনি তার আইডি কার্ড বা জন্ম নিবন্ধনের মত করে দিবেন। এখন তাহলে আপনি তার আইডি কার্ডের মত করেই দিন।

      আর অস্থায়ী ঠিকানা প্রমানের জন্য ইউটিলিটি বিল কপি দিতে হবে।

  6. ভাই উপরে এক ভাই যে বলছেন ভিসার ওখানে লিখা আছে’-‘হুবহু পাসপোর্টে উল্লেখিত ঠিকানা অনুযায়ী’।তাহলে কোনটা লিখবো।
    বিরক্ত করার জন্য সরি

    1. আসলে সব খানেই স্থায়ী ঠিকানা প্রমানের জন্য আইডি কার্ড বা জন্ম নিবন্ধন আর বর্তমান ঠিকানার জন্য ইউটিলিটি বিল লাগে।

      পাসপোর্ট শুধু ব্যক্তিগত তথ্যের জন্য। তবে আপনি শীওর হতে আইভেক এর হেল্পলাইনে কল দিন।

      মোটেও বিরক্ত হচ্ছি না ভাই। 🙂

      1. আইভেকে কল দিলাম।বল্ল পাসপোর্ট এর ঠিকানা দিতে।কনফিউজড পুরাই

  7. আমার ভাই এয়ার ও হরিদাশ পুর এর ভিসা, আমি কি ডৌকী দিয়ে ঢুকতে পারবে?

    1. না, আপনি ডাউকি দিয়ে ঢুকতে পারবেন না।
      কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

  8. যদি কোন কারনে visa না পাওয়া যায়,তাহলে কি পুনরায় visa ফি দিতে হবে?

    1. হ্যাঁ। প্রকৃতপক্ষে এটা ভিসা ফি নয়, এটা হল আবেদন ফি। তাই যতবার আবেদন করবেন ততবার ফি দিতে হবে।

  9. আমার ব্যাংকে এখন ২০+আছে কিন্তু একজন আমাকে বলেছে ৬মাস ধরে ব্যাংকে ২০ হাজার থাকতে হবে, তা না হলে ভিসা দিবেনা।

    1. এমন তথ্য ঠিক নয়। কারেন্ট ব্যালেন্স ২০ হাজার হলেই হয়।

  10. ভাই , আমি ভিসা আবেদন ফি জমা করতে গিয়ে এপয়েন্টমেন্ট তারিখ নিয়ে ফেলেছি ৪/৩/১৮ কিন্তু আমি জমা দিবো ২৫/০২/১৮ তারিখে শ্যামলীতে , শ্যামলীতে কোন এপয়েন্টমেন্ট তারিখের প্রয়োজন হয় না । এখন কি আবার আবেদন ফি নতুন করে জমা দিতে হবে।

    1. আপয়েন্টমেন্ট ডেট নিলে সে তারিখেই জমা দিতে হতে পারে। আমি এই বিষয়ে নিশ্চিত নই। আপনি একটু আইভ্যাকের হটলাইনে কল দিয়ে কনফার্ম হয়ে নি। 🙂

    1. না ভাই, ভিসা পেতে তো আর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স লাগে না।

  11. I was received an E token with the appoinment date on 04/03/18. this is my first time visa application.
    how I can paid the visa fee?
    before how many days of appoinment I will given the visa fee?

    1. Please read my Visa Fee section. I have given details of it.
      The second question is not clear. Can you elaborate or instead write in Bengali?

    1. স্টুডেন্ট হলে হয়। তারপরেও আপনি একবার হেল্পলাইনে ফোন দিয়ে কনফার্ম হয়ে নিন। 🙂

  12. ভাই আমার টুরিস্ট ভিসা হিলি পোর্ট দিয়ে। আমি কি বেনাপোল দিয়ে য়াওয়া আসা করতে পারবো? ভ্রমন ট্যাক্স এ কোন পোর্ট উল্লেখ করবো?

    1. জ্বি, বেনাপোল তো এখন যেকোন পোর্ট দিয়ে ভিসা থাকলেই যাওয়া আশা যায়। আর বেনাপোল দিয়ে গেলে অবশ্যই বেনাপোল উল্লেখ করবেন ট্যাক্সে।

    1. না অফিসে পাঠায় না। তবে ওরা চাইলে অফিসে ফোন দিতে পারে।

  13. NOC এর বিকল্প কিছু আছে না কি?
    আমি NOC নিয়ে খুব tention এ আছি।

    1. সহজ কঠিন নেই ভাই। সবই একি প্রসেস। নিয়মমত এপ্লিকেশন করবেন, সব ঠিক থাকলে ভিসা পেয়ে যাবেন। 🙂

  14. ভাই আমি কি chagrabanda border এর ভিসা দিয়ে Daouki port এ entry করতে পারবো।

  15. আমি বেসরকারি চাকরী করি,আমার নরমাল পাসপোরট,আর আমার wife সরকারী শিক্ষিকা,ওর সরকারী পাসপোর্ট (অফিশিয়াল). ভারত ভ্রমন এর জন্ন আমাদের কি কি কাগজ পত্র দরকার হতে পারে জানালে উপকৃত হব।

    1. আপনার NOC ও তারও এই টাইপের একটা কাগজ লাগবে। সরকারি চাকুরিজীবির ব্যপারটা আমি শিওর জানি না।

    2. নাজমুল ভাই আমারও সরকারী পাসপোর্ট। তাই অাপনাকে বলছি, আপনার ভিসা আবেদন সাধারন অন্য গুলির মতন হবে। অার চাইলে আপনি আপনার স্ত্রীর পাসপোর্টের একটা কপি আপনার আবেদেনের সাথে দিতে পারেন। আপনার স্ত্রী অন এ্যারাইভাল ভিসা পাবে যে কোন পোর্টের জন্য।

  16. আমি চ্যাংড়াবান্ধা দিয়ে প্রবেশ করবো এবং বেনাপোল দিয়ে বের হবো। তাইলে কি আমি আবেদনে চ্যাংড়াবান্ধা দিবো? আবেদনে কি একাধিক পোর্ট উল্লেখ করা যায়?

    1. হ্যা, চ্যাংড়াবান্ধা দিবেন। একাধিক করা যায় না। তবে চ্যাংড়াবান্ধা দিলেইই হবে। কারণ বেনাপোল দিয়ে যেকোন পোর্টে ভিসা থাকলেই আসা যাওয়া যায়। 🙂

  17. আসসালামু আলাইকুম, আমি চিকিৎসক। কিন্তু আপাতত চাকুরী করি না। প্রাইভেট চেম্বারও করি না। আমি দুই সপ্তাহের একটি চিকিৎসা ট্রেনিং গ্রহণ করার জন্য দিল্লি যেতে চাই। আমি এভাবে আবেদনপত্র পূরণ করছি –
    Visible identification marks: NOTHING APPLICABLE
    Type of Visa: TOURIST VISA
    Purpose: EDUCATION
    দিয়েছি। ঠিক আছে কি না? শ্যামলীতে এ’ আবেদনপত্র জমা দেয়া যাবে?
    আর Port of Arrival in India তে কোনটা সিলেক্ট করব? যেহেতু দিল্লি যাব, আমাকে কি কলকাতা হইয়ে যাতে হবে? না কি আরও কোন সহজ রুট আছে? বাংলাদেশ থাকে কলকাতার কোন ডাইরেক্ট ট্রেন আছে?
    আশা করি দ্রুত উত্তর দিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।

    1. ও আলাইকুম আসসালাম। টুরিস্ট ভিসার পারপাস তো আপনি এডুকেশন দিতে পারেন না। আপনি অন্য টাইপ সিলেক্ট করতে পারেন অথবা টুরিস্ট ভিসায়ও যেতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে পারপাস অন্য কিছু দিতে হবে।

  18. ভাই, আমার মেয়াদ অতিক্রান্ত হাতে লেখা পাসপোর্টে ইন্ডিয়ান ভিসা ছিল। কিন্তু অনেক দিন আগে মেয়াদ অতিক্রান্ত হওয়ায় MRP পাসপোর্ট করার সময় আগের পাসপোর্ট নাম্বার উল্লেখ করিনি। এখন ভিসা আবেদন ফরম পূরণ করার সময় কি আগের ভিসা উল্লেখ করতে হবে যেহেতু আমি আগে ইন্ডিয়া ভিজিট করেছি ? আর ভিসা আবেদন IVAC এ জমা দেয়ার সময় কি পুরনো পাসপোর্ট জমা দিতে হবে ?

    1. MRP তে না থাকলে ভিসা বাবেদনে উল্লেখ করার দরকার আছে কিনা জানি না। আপনি বরং একটু হেল্পলাইনে ফোন করে কনফার্ম হয়ে নিন। নতুন পাসপোর্টে যদি পুরোনো পাসপোর্ট নাম্বার থাকে তাহলে জমা দিতে হবে।

  19. ভাই আপনাকে সালাম। অনেক কিছু জানলাম আপনার লেখায়। সরি ভাই আমি আপনার কাছে
    জানতে চাইছিলাম, আমি মালাইশিয়া থাকি। আমি পেশার জায়গায় কি লিখবো। একজন আমাকে বললো পাসপোর্টে আমার পেশা কি ছিলো সেটা লিখতে হবে। বাট আমিতো ভুলে গেছি এখন কি করা উচিৎ? দয়া কর জানালে খুশি হবো।

    1. ভাই সালাম নিলাম। আপনি এখন যা করেন তাই লিখবেন। পাসপোর্টে কি লিখছেন সেটাই লিখতে হবে এমন নয়। কারণ পাসপোর্টে লিখা থাকে না পেশা।

  20. আসসালামু আলাইকুম,
    ভাই, আমি নতুন পাসপোর্ট করেছি। টুরিস্ট ভিসা করার জন্য। কিন্তু আমার ন্যাশনাল আইডিতে নামের শুরুতে MD আছে কিন্ত পাসপোর্ট-এ MD নাই।
    কেউ কেউ বলছে কোন সমস্যা হবে না। কারণ বাইরের দেশের কোন ন্যাশনাল আইডি দেখে না। কিন্ত আপনার ব্লগ পরে বুঝতে পারলাম যে, NID, Student ID and Bank Statement সাথে সংযুক্ত করা আবশ্যক। যেগুলোর সাথে আমার নামের পূর্ব অংশ MD MAHBUB HOSSAIN এবং PASPORT-এ MAHBUB HOSSAIN আছে।

    আমার কি কোন সমস্যা হবে? সময় হলে জানাবেন !

    1. ওয়া আলাইকুমুস সালাম,

      সমস্যা হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। বিদেশে গেলে আর কেউ NID, Student ID and Bank Statement এগুলো দেখতে চাইবে না। তবে দূতাবাস এইগুলো চেক করে। তবে আপনার ভালর জন্য পাসপোর্ট সংশোধন করে নিন।

  21. ভাই ছবির সফটকপি কি পেইন ড্রাইভে করে নিয়ে যেতে হবে ?
    Would you please tell me – Will I need to bring the soft copy of my photo on my pen-drive??

    1. না, পেইন ড্রাইভে করে নিয়ে যেতে হবে না। অনলাইন আবেদনের শেষের দিকে আপনাকে নিজেই আপলোড করতে হবে।

  22. গত তিনমাসের, Paid অথবা Unpaid বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস বা টেলিফোন বিলের ফটোকপি লাগবেই ??
    একমাসের হলে হবে না ???

    1. গত তিনমাসের মানে তিন মাসের মধ্যে যেকোন একটা বিল হলেই হবে। একামাসের হলেও হবে।

  23. কেমন আছেন? জানতে চাই ফর্মেসি কোন কোর্স এর জন্য ইন্ডিয়া যাওয়ার ব্যাবস্থা আছে কি?

    1. অবশ্যই আছে। তবে সেটা এডুকেশন রিলেটেড ভিসা। টুরিস্ট ভিসা শুধুমাত্র ভ্রমণের উদ্দেশ্যে দেয়া হয়।

  24. হ্যালো,

    এন্ট্রি পোর্ট ‘বাই রোড মাহাদিপুর’ দেয়া থাকলে কি গেদে দিয়ে যেতে পারবো?

    অগ্রিম ধন্যবাদ! 🙂
    -মুনাফ

  25. হ্যালো,

    এন্ট্রি পোর্ট ‘বাই রোড মাহাদিপুর’ দেয়া থাকলে কি গেদে দিয়ে যেতে পারবো?

    অগ্রিম ধন্যবাদ! 🙂
    -মুনাফ

    1. হ্যালো,

      হ্যা, এখন যেকোন পোর্টে ভিসা থাকলেই বাইরোড হরিদাসপুর ও বাইরেইল গেদে দিয়ে যাওয়া আসা যাবে।

      অনেক ধন্যবাদ!

    1. এক সপ্তাহের মধ্যেই পাওয়া যায় সাধারণত।

  26. আসসালামু আলাইকুম

    আমি মুলত একজন স্টুডেন্ট কিন্ত আমার পাসপোর্ট এ পেশা হিসেবে দেয়া আছে “প্রাইভেট সার্ভিস”।

    * এখন আমি যদি কলেজের আইডি কার্ড দিয়ে স্টুডেন্ট হিসেবে ট্যাুরিস্ট ভিসার আবেদন করি তাহলে কি কোনো প্রবলেম হবে??
    *রাজশাহী ভিসা এ্যাপ্লিকেশন সেন্টার এ কি ট্যুরিস্ট ভিসার ই-টোকেন লাগে?

    *আর আমি যদি হরিহাশপুর-গেদে পোর্ট সিলেকশন দেই তাহলে কি আমি বুড়িমারী-চ্যাংড়াবান্ধা দিয়ে পরে কোনো একসময় আবার যেতে পারবো??

    1. ওয়া আলাইকুমুস সালাম রাকিবুল ভাই।

      * না। কারণ পাসপোর্টের কোথাও পেশা লেখা থাকে না।
      * রাজশাহীতে ইটোকেন লাগে কিনা আমি নিশ্চিত জানি না। তবে লাগে না মনে হয়। । আপনি একটু হটলাইনে ফোন করে নিশ্চিত হয়ে নিন। Tel: 88-0721-812534, 88-0721-812535
      * না। তার চেয়ে বরং আপনি বুড়িমারী-চ্যাংড়াবান্ধা সিলেক্ট করুন। এতে আপনি এমনিতেই হরিহাশপুর-গেদে দিয়ে যেতে আসতে পারবেন।

      ধন্যবাদ।

  27. পোষ্টপেইড মোবাইল বিল দিয়ে ভিসার আবেনদনের সাথে দেওয়া যাবে না?

    1. না, মোবাইল বিল বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে কোথাও গ্রহণ করে না। ধন্যবাদ

  28. ভাই,
    এন্ট্রি-এক্সিট “বাই এয়ার / হরিদাসপুর “দিলে বাসে বা ট্রেনে অন্য কোন পোর্ট দিয়ে এন্ট্রি -এক্সিট সম্ভব? যদি হয় তাহলে কোন কোন পোর্ট দিয়ে সম্ভব জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো। ধন্যবাদ।

    1. ভাই, এন্ট্রি-এক্সিট “বাই এয়ার / হরিদাসপুর “দিলে শুধু ট্রেনে ‘গেদে’ দিয়ে আসতে/যেতে পারবেন। তাই আমি বলব আপনি আপনার পছন্দমত অন্য যেকোন পোর্ট সিলেক্ট করুন। কেননা আপনি অন্য যেকোন পোর্টই সিলেক্ট করুননা কেন বাইরোড হরিদাসপুর, বাই ট্রেন গেদে ও বাই এয়ার এর সাথে অটো পেয়ে যাবেন। কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ। 🙂

      1. ভাই,
        আমি ইতোমধ্যে ফাইনাল সেভ দিয়ে ফেলেছি। এখনো পেপারস জমা দিই নি। এখন কি আর পাল্টানো সম্ভব? তাছাড়া এই আবেদন জমা না দিয়ে ডেট এক্সপেয়ার হওয়ার পর একই পেমেন্ট দিয়ে অন্য আবেদন করা কি সম্ভব?

        1. পেমেন্ট করে ফেললে আর সম্ভব নয়। কেননা পেমেন্ট করার সময় এই পেপারের ওয়েব ফাইল নাম্বার দিতে হয়। নতুন আবেদনে নতুন ওয়েব ফাইল নাম্বার থাকবে। 🙁

          1. তবে, আপনি আবেদন জমা দেয়ার সময় ৩০০ টাকা ফি দিয়ে আবেদন কেন্দ্র থেকে পরিবর্তন করতে পারবেন।

  29. ভাই আসসালামু আলাইকুম। আমি ও আমার মা ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করেছি। এক্ষেত্রে আমার মায়ের কুন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। আমার অ্যাকাউন্ট এ ১০০০০০/- এক লক্ষ টাকা দেখিয়েছি। আমরা দুজন ভিসা কি পাবো। আমার কাছে এস এম এস এসেছে আজ কিন্তু মায়ের কাছে আসেনি process হয়েছে এর মেসেজ। বুঝতেছি না। আমার মা কি ভিসা পাবেন?

    1. ওয়া আলাইকুমুস সালাম ভাই। এসএমএস আসা না আসার সাথে ভিসা পাওয়া না পাওয়ার সম্পর্ক নেই। আপনার মার কাছে হয়ত আগামীকাল আসতে পারে। ভিসা পাবেন কিনা তা কোন ভিত্তিতেই বলা যায় না। আমার ধারণা পাবেন।

      পান বা না পান একটু কমেন্ট জানাবেন প্লিজ ভাই।

  30. কাগজ পত্র জমা দেওয়ার পর, ভিসা পেতে আনুমানিক
    কতদিন লাগে।

      1. আমি ও আমার মা কাগজপত্র জমা দিয়েছি ১৪-০৩-১৮। আমার মার এখন ও ভিসা processed message আসেনি। ivac তে এখন ও আমার মায়ের ভিসা processed done হয়নি দেখাচ্ছে। কিন্তু আমার টা Done হয়েছে ও আমি মেসেজ পেয়েছি। এখন কি করা যায় ভাইয়া।

        1. অপেক্ষা করুন। আর আপনি ওই সেন্টারে ফোন দিয়ে জানাতে পারেন যে একি সাথে জমা দিয়েছেন তবু কেন আপনার মায়ের ভিসা আবেদন এখনো Under Process দেখাচ্ছে।

          1. ভাই ivac call center e phone diyechilam ora bollo অনেক সময় done process show kore na o message ase na. but passport ready hoye jay. is it true?

          2. তাহলে তো ভালই,আপনি সেন্টারে গিয়ে খোঁজ নিন। ওরা যেটা বলবে সেটাই তো নির্ভরযোগ্য। দেখা গেল কেউ আপডেট করতে ভূলে গেছে।

  31. বিরক্ত করি একটু ভাইয়া , মোবাইল নাম্বার দেয়ার অপশনে ১০ ডিজিটের জায়গা দেয়া , কিন্তু নাম্বার তো এখন ১১ ডিজিটের। এক্ষেত্রে কি শুরুর ০ বাদ দিয়ে বাকি নাম্বারটা লিখবো ?

    1. হ্যা, ০ বাদ দিয়ে লিখবেন। বিরক্ত করার জন্য ধন্যবাদ রাতুল ভাইয়া। 🙂

  32. আমি ও আমার মা ভিসা পেয়েছি। আমার passport e. INT. credit card die 600 dollar endorse korabo mayer korabo na any problem?

  33. Visa delivery date aj deya kinto online tracking e dekhlm akhno IHC e sent hoi ni.. Akhn ki krbo? Aj jawa thik hbe?

    1. এসএমএস না পেলে যাওয়া ঠিক হবে না। অপেক্ষা করুন। অথবা ফোন করে নিশ্চিত হয়ে নিন।

  34. ভাই,আমার ইন্ডিয়ান মেডিকেল ভিসার পেপারস গুলা সিরিয়ালি সাজানোর নিয়ম টা একটু জানাবেন…

    1. পলাশ ভাই, আমি মেডিক্যাল ভিসা কখনো করিনি তাই জানি না। তবে এটা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। আপনি সেখানে গেলেও ওরা বলে দিবে। 🙂

  35. আমি এই মূহুর্তে আনএমপ্লয়েড, আবার স্টুডেন্ট ও নই। এক্ষেত্রে কি ডকুমেন্ট জমা দেব? আর কি কি কারনে ভিসা না হবার সম্ভাবনা থাকে? ধন্যবাদ এই আর্টিকেল এর জন্য।

    1. আনএমপ্লয়েড হলে কোন পেশাগত ডকুমেন্ট লাগবে না মনে হয়। এখন মোটামুটি সবারই ভিসা হয়। কারণ এক্সাক্টলি বলা মুশকিল। তবে ফাইন্যান্সিয়াল অবস্থা ভাল প্রমাণ করা জরুরি।

  36. ভাই ১বছর এর মাল্টিফল ভিসা পেলে কতদিনের মধ্য প্রবেশ করতে হবে??
    এ ক্ষেত্রে কি কোন বাধ্যবাধকতা আছে???

    1. এক বছরের মধ্যে যেকোন সময় প্রবেশ করতে পারবেন। ১ বছর পার হয়ে গেলে তো মেয়াদ শেষ! 🙂

  37. ভাইয়া আমার পাসপোর্ট একটার মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে আরেকটা নতুন পাসপোর্ট বানাইছি।এখন কি অনলাইনে ফরম পুরণ করার সময় আগের পাসপোর্ট টার ইনপফরমেশন ও দিতে হবে???

    1. আমার ঠিক খেয়াল নেই ফর্মের কোথাও আগের পাসপোর্ট এর তথ্য চায় কিনা। আগের ভিসা থাকলে তথ্য চায়। যদি ঘর থাকে দিবেন। তবে আগের পাসপোর্টও জমা দিতে হয় এপ্লিকেশনের সাথে।

  38. ভাই,এক বছরের জন্য টুরিস্ট ভিসা করতে চাই,এই সময়ের মধ্যে কয়েকবারে কলকাতা,আগরতলা,দার্জিলিং এবং শিলং যাওয়ার ইচ্ছে,সেই ক্ষেতে পোর্ট কোনটা সিলেক্ট করবো।

    1. কলকাতা যাওয়ার জন্য অন্য যেকোন পোর্টে ভিসা থাকলেই হরিদাস্পুর মানে বেনাপোল দিয়ে যেতে পারবেন। তবে অন্য সব লোকশের জন্য তো আর সব পোর্ট নিতে পারবেন না। এজন্য যেকোন একটা এরিয়ার জন্য একটা পোর্ট সিলেক্ট করুন। একবার ঘুরে এসে অবশ্য পোর্ট চেঞ্জ করা যায়।

  39. বাংলাবান্ধার ভারতীয় অংশের নাম কি?
    দয়াকরে জানাবেন।

  40. স্টুডেন্ট আইডি কার্ডে কিছু বুঝার উপায় নেই । অন্য কোন কপিতে কি হয় ? কনফারেন্স ভিসা ।

  41. আসসালামু আলাইকুম। ভাইয়া আপনার পোস্ট পড়ে খুব ভাল লাগল। ভাইয়া আমি একজন অনার্স ১ম ইয়ারের ছাত্র।ভাইয়া আমি ভারতের কলকাতা এবং এর আশেপাশের কয়েকটি শহরে ১৫ দিনের জন্য যেতে চায়।এখন আমি একজন ছাত্র কিন্তু আমার পাসপোর্ট এ পেশা private service এটার জন্য কি কোন সমস্যা হবে ভাইয়া।

    1. ওআলাইকুম আস সালাম মামুন ভাইয়া। পোস্টটি ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম।

      কোন সমস্যা হবে না। কারণ পাসপোর্ট এ কোথাও পেশা উল্লেখ থাকে না। আপনি শুধু ভিসা আবেদনেরর সময় ছাত্র দিবেন পেশা হিসেবে। ধন্যবাদ।

  42. ভাই আগরতলা হয়ে ইন্ডিয়া যেতে হলে কি করতে হবে

    1. অলি ভাই, আপনার প্রশ ঠিক কি বিষয়ে বুঝতে পারছি না। তারপরেও উত্তর দিচ্ছি।

      আগরতলা হয়ে ইন্ডিয়া যেতে হলে আপনাকে ভিসা আবেদনে পোর্ট হিসেবে আগরতলা সিলেক্ট করতে হবে। অন্য কোন কিছু জানতে চাইলে কমেন্ট করে জানান। 🙂

  43. ভাই সালম নিবেন আামি ছাএ না অথবা চাকুরিও করিনা সেক্ষেএে noc অথবা id card নাই তাহলে আমার ক্ষেএে কি প্রযজ্য হবে

    1. হাদিস ভাই, সালাম নিলাম। Unemployed দিলে তো কোন ডকুমেন্ট লাগবে না।

    1. জাকির ভাই, ইটোকেনের ব্যাপারে আমি জানি না। আমি কখনো করিনি।

  44. আসসালামু আলাইকুম,
    ভাই আমার পাসপোর্টে পেশা বিজনেস but এখন রিটায়র্ড so আমার treadliecence নাই. So আমি কি ভাবে applyকরব

    1. ভাই, পাসপোর্ট এ কি সেটা ব্যাপার না। পাসপোর্ট এ পেশা উল্লেখ থাকে না। আপনি ভিসা আবেদনে এখনকার হিসেবে আবেদন করবেন।

  45. ভাই আমার পাসপোর্ট এ স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা একই কিন্তু আমার বর্তমান ঠিকানা আলাদা.. তো ভিসা পেতে সমস্যা হবে??

  46. পুরাতন পাসপোর্ট থাকলে তার কোন পৃষ্ঠা পযর্ন্ত দিতে হবে ফটোকপি আর স্ত্রীর যদি একসাথে যায় তাহলে তারজন্য আলাদা ব্যাংক স্ট্যাটম্যান্ট লাগবে কিনা,কারণ সে তো ডিপেন্ডবল, আর পাসপোর্ট এর ডাটা পেইজের ফটোকপি বলতে কি বুঝিয়েছেন?

    1. পুরাতন পাসপোর্ট এর ফটোকপি মন্র হয় লাগে না। মেইনটাই জমা দিতে হয়।

      আলাদা স্টেটমেন্ট লাগবে। ডিপেন্ডডেন্ট হলেও যার উপর ডিপেন্ডডেন্ট তার স্টেটমেন্ট লাগবে।
      ডাটা পেইজ মানে প্রথম দুই পেইজ যেখানে নাম, জন্ম তারিখ ইত্যাদি তথ্য থাকে।

  47. ভাই আমার টুরিস্ট মাল্টিপোল ১ বছরের ভিসা। ভিসার মধ্যে কোন পোর্ট উল্লেখ করা করা বাই ট্রেন ও এয়ার দেওয়া আছে আমি কি এখন যে কোন পোর্ট ব্যবহার করতে পারবো না?

    1. না, তাহলে আপনি শুধু এগুলার পাশাপাশি বাই রোড গেদে বা বাই রোড হরিদাসপুর ব্যাবহার করতে পারবেন।

  48. কোন পোর্ট উল্লেখ নাই এবং এয়ার ও ট্রেন দেওয়া আছে।আমি চাইলে যে কোন পোর্ট ব্যবহার করতে পারবো না?

  49. ভাই, আমি এই মূহুর্তে এমপ্লয়েড। স্টুডেন্ট আইডি কার্ড নাই। কিন্তু আন-এমপ্লয়েড দেখাতে চাই কারন এনওসি লেটার নিতে ঝামেলা হবে অফিস থেকে। আমি কি আন-এমপ্লয়েড দিয়ে এপ্লাই করে দিবো? তবে ফাইন্যান্সিয়াল অবস্থা ভাল প্রমাণ করার জন্য শুধু এন্ডোর্স্মেন্ট এ হবে? নাকি স্ট্যাট্মেন্ট ও জমা দিতে হবে?

    1. মিঠু ভাই, আন-এমপ্লয়েড দেখাতে পারেন। স্টেটমেন্ট ওরা বেশি প্রিফার করে। আপনি যেকোন একটা অথবা পারলে দুটোই দিতে পারেন।

  50. ১মবার NOC নিলে, একাধিক বার ভ্রমন করা যায়,NOC ছাড়া?

    1. NOC তো আসলে একবারের জন্যই নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করে দেয়া হয়। তবে ডিপেন্ড করে ইমিগ্রেশনের উপর। যেমন আমরা ডাউকি দিয়ে গেলাম, কাউকে কিছুই জিজ্ঞেস করল না। NOC, স্টুডেন্ট আইডি কিছুই দেখল না।

      1. ভাইয়া , আমার ভিসা তে বাই রোড হিলি দেওয়া হয়েছে ।তো আমি কি অন্য বড়ার দিয়ে যেতে পারবো।

  51. শ্যামলীতে ভিসা আবেদন করতে কি অগ্রীম বাসের টিকিট বা হোটেল বুকিং এর প্রমাণপত্র দেখাতে হয়।

  52. পোস্টটি ভালো লাগলো।
    আমি স্টুডেন্ট।
    নতুন পাসপোর্ট করছি।
    আমাদের বাড়ি গ্রামে, এখানে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস নেই।
    এগুলোর বিল রশিদ কিভাবে দিবো…?
    আমার ব্যাংক একাউন্ট নেই, বাবার টায় হবে…?
    আমি ভ্রমন ভিসায় ১ বছরে ২/৩ বার যেতে আসতে চাই, এক্ষেত্রে কি কি করনীয়…?

    1. পলাশ ভাই,
      আমার পরামর্শ হবে আপনি আপানার পরিচিত কারো থেকে বিদ্যুৎ, পানি বা গ্যাস বিলে ম্যানেজ করুন একটা। তারপর সেটার অনুযায়ী বর্তমান ঠিকানা দিন।

      হ্যা, আপনার বাবার ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিতে পারবেন।

      আপনি মাল্টিপল এন্ট্রি সিলেক্ট করবেন। তাহলে আপনি একাধিকবার যেতে/আসতে পারবেন।

      পোস্টটি ভাল লেগেছে জেনেছে খুশি হলাম। 🙂

  53. আস সালামু আলাইকুম। অনেক ভাল লিখেছে, তার জন্য ধন্যবাদ। আমি আর আমার ফ্রেন্ড এর আবেদন একসাথে জমা দিয়েছিলাম। তো ন:অফ এন্ট্রি তে ভুল করে সিংগেল দিয়েছিলাম। এখন ভিসা হয়েগেছে। ১ বছরের। এখন করনীয় কি?

      1. কপি করে কোথাও পাব্লিশ না করলে খুশি হব। 🙂

    1. ওআলাইকুম আসসালাম। লেখাটি ভাল লেখেছে জেনে ভাল লাগল। এখন কিছু করার নেই। যদি সিংগেল এন্ট্রি ভিসা হয়ে থাকে তাহলে একবার ভিজিট করে নতুন করে ভিসা করে নিন।

  54. আমার পড়াশুনা শেষ জব ওও করি না তাহলে আমার ভারতের ভিসা পেতে হলে কি করতে হবে। যদি আমি Student ভিসা করি…… বা অন্য কোন উপায়।

  55. তার জন্য কি কি জিনিস লাগবে,,আমার তো আইডি বা রশিদ বই নাই,,,প্রত্যয়ন /প্রশংসা পত্র দিলে হবে

    1. Unemployed দিলে পেশার প্রমাণপত্র লাগে না মনে হয়।

  56. Sry ভাই আপনাকে আরেকটু বিরক্ত করছি,,,, তাহলে কি বলবেন আমার কি কি কাগজ প্রত্র লাগবে,,,আর বিদ্যু বিল কি বাড়ির পাশের কারোর হলে হবে

    1. ভাই, উপরে উল্লিখিত সব কাগজ লাগবে শুধু পেশার প্রমাণ বাদে। নিজের না থাকলে পাশের বাড়ির দিতে পারেন। তাহলে সেইভাবে বর্তমান ঠিকানা দিবেন আবেদনপত্র পুরনেরর সময়।

  57. ভাই tourist visa application টা করতে পারি কিন্তু e-token টা কিভাবে নিব। link সহ details দিলে উপকৃত হব।

    1. ভাই, আমি ইটোকেন ছাড়া সরাসরি শ্যামলী সেন্টারে জমা দিয়েছি। ইটোকেন কিভাবে নিতে হয় তা আমি জানি না। দু:খিত

  58. আসসালামু আলাইকুম,
    আমি জানতে চাই, সরকারী চাকুরীজীবী দের কি ভিসার দরকার হয় ভারতে যেতে? নাকি GO/NOC দিয়েই হবে।

    1. আপনার যদি অফিসিয়াল পাসপোর্ট থাকে তাহলে শুধু GO/NOC নিয়ে গেলেই অন এরাইভাল ভিসা পাবেন। আগে থেকে আবেদন করে ভিসা নিয়ে যেতে হবে না।

  59. ভাই,
    ১. আমি যদি এন্ট্রি পোর্ট – চ্যাঙরাবান্দা দিয়ে ভারতে প্রবেশ করি এবং এক্সিট পোট হিসেবে বাই রেল গেদে দিয়ে বের হতে চাই তাহলে আমাকে কিভাবে আবেদনটি করতে হবে।
    ২. আমার পাসপোর্ট করার সময় পেশা দেয়া হয়েছিলো কৃষক এখন ভিসা আবেদনের সময় কোন পেশা দিলে ডকুমেন্ট এর ঝামেলা কম হবে। উল্লেখ্য আমি সরকারী বা বেসরকারী চাকুরীজীবি নই।
    ৩. আবেদনের পর আমাকে কী কী ডকুমেন্ট নিয়ে ভিসা কেন্দ্রে যেতে হবে?
    ৪. ভিসা পেতে হলে কী আগেই ডলারস এন্ড্রসমেন্ট করতে হয়?

    দয়া করে জানালে খুশি হবো।

    1. ১. আপনি এন্ট্রি এক্সিট দুটোই চ্যাংড়াবান্ধা দিন। এতে আপনি এমিনিতেই হরিদাসপুর ও গেদে দিয়ে যেতে/আসতে পারবেন।

      ২. যেটাই দিন না কেন, সাপোর্টিং ডকুমেন্ট দিতে হবে। অথিবা Unemployed দিতে পারেন।

      ৩. সেটা উপরে দেয়া আছে। একটু দেখে নিন প্লিজ।

      ৪. ডলার এনডোর্স না করলে ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিতে হবে।

  60. ভাইয়া, আমার ভিসা তে বাই রোড হিলি দেওয়া আছে ,তো আমি কি অন্য যে কোন 4টি বডার দিয়ে যাওয়া আসা করতে পারবো ।এই রকম কোনো নিয়ম আছে।

  61. বিদেশি পাসপোর্টধারীদের বাংলাদেশ থেকে ইনডিয়ান ভাসা লাগাতে কাগজপত্র কি কি প্রয়োজন হয়? ভিসা ফি কত? সময় কত দিন লাগে?

  62. bhaiya ami ekbar reject hoisi
    akhon form puron korar shomoy abar ekta jaygay lekha ase je visa reject hoise ki na? oikhane ki yes or no dibo? r ki ki lekte hobe?

  63. আমার বই জমা দিয়েছি কিন্ন্তু ডেট ছাড়া ৯দিন হয়ে গেলো বই পাচ্ছিনা, কিভাবে দ্রুত বই পাবো একটু বলবেন প্লিজ,আর হ্যা আমার এক বন্ধু ইমাইল করছিলো কোন কাজ হইনি

    1. ডেট ছাড়া মানে বুঝিনি। ওরা তো ডেট দেয় যেদিন পাসপোর্ট ফেরত দিবে। আপনি আগের দিন বা ওইদিন সকালে এমএমএস পাবেন।

  64. Sylhet থেকে ভিসার অাবেদন কররতে হলে মিশন কি সিলেট করতে হবে?

  65. জনাব সাইফুল
    অনেক ধন্যবাদ চমৎকার গাইড লািইন দেবার জন্য।
    আমি চিকিৎসার জন্য যেতেচাই। সেক্ষেত্রে কি কি ডকুমেন্ট লাগবে? আর আমারে নিজ নামে কোন ইউটিলিটি বিল নেই। এ ক্ষেত্র বিকল্প কি দিতে হবে?

    1. মোশারফ ভাই,

      আমি চিকিৎসা ভিসার ব্যাপারে সঠিক জানি না। আপনি নিচের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করে জেনে নিতে পারেন। https://www.facebook.com/groups/207813502998724/

      ইউটিলিটি বিল নিজের নামে হতে হবে না। আপনি যে বাসায় থাকেন সেটার হলেই হবে।

      অনেক ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য। শুভ কামনা।

  66. যারা ভিসা করে দেয়।আমি তাদের সন্গে কথা বলছিলাম।তারা ২০০০ টাকা চায়।আমি যদি নিজে করি তাহলে কত টাকা লাগবে।আর নিজে করতে গেলে কোন ভোগান্তি তে পরবো নাকি।আমি তো কখনো করি নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.